ধর্ষিতার জন্য মানবাধিকার কমিশনের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ নয় :হাইকোর্ট

ধর্ষণের শিকার একটি শিশুকে সহায়তার ক্ষেত্রে মানবাধিকার কমিশন কেন নিশ্চুপ ছিলো এবং কমিশনের এই নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেন। এছাড়া ব্যক্তি পর্যায়ে সংগঠিত খুন, ধর্ষণ ও এসিড নিক্ষেপ ‘মানবাধিকার লংঘন নয়’- কমিশনের এমন অবস্থানকেও কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনের সচিবকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৩ সালের ৩০ আগস্ট কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে একটি শিশু ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি আসামি জামিন নিয়ে আদালত থেকে বেরিয়ে এলে ধর্ষিত ঢাকায় পালিয়ে আসে। ঢাকায় এসে ওই জামিন আদেশের নকল (অনুলিপি) পাওয়ার জন্য ৩ এপ্রিল ও ১৮ মে দুই দফা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সহায়তা চেয়ে সে আবেদন করে। কিন্তু কমিশন জবাব বা সহায়তা না দিয়ে নিশ্চুপ থাকে। এ ঘটনার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন হাসিনা আক্তার নামে এক নারী। তার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম।