আষাঢ়ে গল্প

মোহাম্মদ মারুফুল বাড়ি থেকে বের হওয়ার কালে বৃষ্টি ছিলো না তবে; মাথার উপরে ঝুলে ছিলো মেঘ; বৃষ্টি যে হবে হবে। গিন্নী বললেন দেরি না করে এখনই যাত্রা করো, আকাশ হয়ে উঠতে পারে কখনো আবার ঝড়ও। ঘর থেকে বের হয়ে পড়লাম গিন্নীর কথামতো, একটু এগুতে বৃষ্টি নামলো খেলাম যে থতোমতো! গিন্নী বললেন ভিজেই যাবো আমার বাপের বাড়ি, রসুলপুর যে বেশি দূরে নয় পা চালাও তাড়াতাড়ি। আগে আগে আমি যাচ্ছিলাম যে বৃষ্টির ভেতর দিয়ে শ্বশুর বাড়ির দিক বরাবর বৌকে আমার নিয়ে। একটু এগুতে পথের পাশের গাছের মাথায় দেখি; নেমে থাকা মেঘে বিজলী করছে আলো রঙে লেখালেখি। ধুপুড় করে এক বড়ো মাছ তক্ষুণি মেঘ থেকে— লাফিয়ে পড়লো মাটির উপরে বজ্র উঠলে ডেকে। গিন্নী ও আমি ভয় না পেয়ে অবাক হয়ে বেশি মাছটা ধারার জন্য দাঁড়াই গা করে ঘেঁষাঘেঁষি। মাছটা ছিলো রাঘব বোয়াল নধর ও ফুটফুটে, গিন্নী ও আমি চেপে ধরি তাকে যেনো সে না যায় ছুটে। সেই মাছ নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে বলি রাঁধো করে অল্প, এ বোয়াল মাছ মেঘের দেশের এটাই আষাঢ়ে গল্প। শ্বশুর -শাশুড়ী-শ্যালক বলেন এ হয় অবিশ্বাস্য, মেঘের দেশে মাছও থাকে এ কেমন তরো ভাষ্য!