১৪ বছরে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

রাজধানীর কৃষি শিক্ষার একমাত্র উচ্চ বিদ্যাপীঠ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৪ বছরে পদার্পণ করেছে। গতকাল ছিল প্রতিষ্ঠানটির ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রতিষ্ঠানটি ২০০১ সালের ১৫ জুলাই বাংলাদেশ এগ্রিকালচার ইনস্টিটিউট (বিএআই) হতে পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রূপে যাত্রা শুরু করে। পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাস মাত্র তের বছরের হলেও উপমহাদেশের প্রাচীনতম কৃষি শিক্ষার প্রতিষ্ঠান হিসাবে এর ইতিহাস ৭৬ বছরের। ১৯৩৮ সালের ১১ ডিসেম্বর তত্কালীন পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এ দেশে কৃষি শিক্ষার উন্নতি ও আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে দি বেঙ্গল এগ্রিকালচার ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। পরবর্তী সময়ে এর নামকরণ করা হয় পূর্ব পাকিস্তান এগ্রিকালচার ইনস্টিটিউট। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এর নাম রাখা হয় বাংলাদেশ এগ্রিকালচার ইনস্টিটিউট। অতঃপর ২০০১ সালের ১৫ জুলাই তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রূপে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি অনুষদ, এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট অনুষদ, এনিম্যাল সায়েন্স ও ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদ নামে তিনটি অনুষদ চালু রয়েছে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩০১৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। এ পর্যন্ত ২১২২ জন স্নাতক এবং ১২৮৩ জন স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে দেশ-বিদেশে সাফল্যের সঙ্গে কৃষির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষক সংখ্যা ২০৪, কর্মকর্তা ১৪৮ এবং কর্মচারী ৪৫৫। গবেষণার জন্য রয়েছে পাঁচটি খামার। বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ছেলেদের জন্য তিনটি এবং মেয়েদের জন্য দুইটি আবাসিক হল রয়েছে।