আলোচনায় আদনান

আসছে ঈদ। আর ঈদের পর থেকেই পুরোপুরি চলচ্চিত্র প্রযোজনাতেই ব্যস্ত হয়ে উঠবেন ‘ভার্সেটাইল মিডিয়া’র কর্ণধার আরশাদ আদনান। কিছুদিন আগে কক্সবাজারে একসঙ্গে একডজন নাটক প্রযোজনা করে মিডিয়াতে যে আলোচনা সৃষ্টি করেছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজনার ক্ষেত্রেও তিনি ঠিক তেমনি কিছু করতে চাচ্ছেন। এরইমধ্যে ‘টার্গেট’ নামের একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা এরইমধ্যে শুরু করেছেন। ঈদের পর নতুন নতুন চমক নিয়ে নতুন নতুন ঘোষণা আসবে আরশাদ আদনানের প্রযোজনা সংস্থা থেকে। মূলত আরশাদ আদনান একজন ব্যাংকার। চলতি মাসেই ‘ম্যানেজার অপারেশন’ হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের শান্তা টাওয়ারের প্রাইম ব্যাংক শাখায় যোগ দিয়েছেন। এখানে যেমন তার কাজের ধারাবাহিক সফলতা আছে ঠিক তেমনি মিডিয়াতেও আছে তার ব্যাপক সফলতা। নাটক প্রযোজনায় আরশাদ আদনানের যাত্রা শুরু ২০০৯ সালে। রায়হান খানের নির্দেশনায় ‘প্রফেশনাল’ নাটকে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। এরপর তিনি রহমতুল্লাহ তুহিনের নির্দেশনায় ‘বিপরীত বিন্দু’ ও মেহেদী হাসান সোমেনের নির্দেশনায় ‘প্রেমের পাণ্ডুলিপি’ নাটকে অভিনয় করে দর্শকের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হন। শুধু তাই নয়, নাটকগুলো প্রচারের পর অনেক পরিচালকের কাছ থেকে তিনি ভালো ভালো গল্পের নাটকে চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পান। কিন্তু সেসব নাটকে অভিনয় সহাস্যে ফিরিয়ে দিয়েছেন আরশাদ আদনান। প্রশ্ন রাখি কেন? জবাব আদনানের ‘সত্যি বলতে কী অভিনয় করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। কিন্তু সময়ের কাছে আমি বড্ড অসহায়, ব্যাংকের ব্যস্ততা, প্রযোজনার ছুটোছুটি সবমিলিয়ে আমি নিজের কাছ থেকে এতটাই দূরে থাকি যে নিজের জন্য অভিনয় করারই সময় হয়ে উঠে না।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন আবৃত্তি চর্চা করতেন নিয়মিত। ১৯৯৬ সালে তার প্রথম আবৃত্তির একক অ্যালবাম ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ বাজারে আসে। পাবনার ছেলে আরশাদ আদনান প্রযোজিত আসছে ঈদ উপলক্ষে চল্লিশটিরও অধিক নাটক বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হবে এবং নিশ্চিত বলা যায় এটা একটি রেকর্ডই বটে। কারণ এর আগে কোনো প্রযোজকেরই ঈদে এত নাটক প্রচার হয়নি। আরশাদ আদনান শুধু নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত নন, এতিম বাচ্চাদের জন্য তিনি গাজীপুরে একটি এতিমখানাও প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সমাজের মানুষের কল্যাণের পাশাপাশি নিজেকে একজন সমাজসেবী হিসেবে গড়ে তোলাই তার দৃঢ় প্রত্যয়।