কণ্ঠশীলনের মঞ্চায়ন চলছেই...
প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০১৪, ২০:১০
সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মূল মিলনায়তন জাতীয় নাট্যশালায় কণ্ঠশীলন প্রযোজিত নতুন নাটক ‘যা নেই ভারতে’-এর উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হলো। মহাভারতের কাহিনী অবলম্বনে বর্তমান সময়কে ধারণ করে নাটকটি রচনা করেছেন প্রখ্যাত নাট্যকার, নির্দেশক, অভিনেতা মনোজ মিত্র এবং নির্দেশনার দায়িত্ব পালন করছেন কণ্ঠশীলন প্রশিক্ষক ও নির্দেশক মীর বরকত। উদ্বোধনী মঞ্চায়নে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন এর সভাপতি ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী বলেন, ‘বলা হয়ে থাকে নাটক জীবনের দর্পণ। নাট্যকারের মুন্সিয়ানা সেখানেই, যেখানে সমসাময়িক সময়, সমাজ ও নানা সামাজিক সমস্যা ভীষণভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে উপস্থাপন ভঙ্গিতে। মহাভারতের গল্প অবলম্বন করেই তিনি বিদ্রুপ করেছেন সমাজের উন্নাসিকতা ও ভোগবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে লক্ষ্য করে।’
নির্দেশক মীর বরকত বলেন, ‘নাট্যকার মনোজ মিত্র নাটকের মূল কাহিনী নিয়েছেন ‘মহাভারত’-এর প্রথম দুটি খণ্ড থেকে। এর সঙ্গে বর্তমান সময়ের বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে নারীবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ইত্যাদি বিষয়গুলোকে সন্নিবেশ করে লিখেছেন ‘যা নেই ভারতে’। বুদ্ধদেব বসুর মহাভারতাশ্রয়ী নাটক ‘তাপস্বী ও তরঙ্গিণী’ এবং ‘অনাম্নী অঙ্গনা’র শ্রুতিরূপ নির্দেশনা দিয়েছিলাম কয়েক বছর পূর্বে। এবারো ‘মহাভারত’ তবে কেবল শ্রুতিরূপ নয়, মঞ্চনাটক রূপে।’ ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের নাটকটির মঞ্চসজ্জা ও আলোক নির্দেশনা দিয়েছেন জুনায়েদ ইউসুফ। সংগীত পরিচালনা করেছেন অসীম কুমার নট্ট। কোরিওগ্রাফি করেছেন লিনা দিলরুবা শারমিন। পোশাক পরিকল্পনা করেছেন আইরিন পারভীন লোপা। নাটকের জন্য দুটি গানের কথা লিখেছেন এএফ আকরাম হোসেন এবং কণ্ঠ দিয়েছেন হানিফ মোহাম্মদ রতন। এছাড়াও নেপথ্য কণ্ঠ দিয়েছেন গোলাম সারোয়ার। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে রূপদান করেছেন আব্দুর রাজ্জাক, একেএম শহীদুল্লাহ কায়সার, সোহেল রানা, সালাম খোকন, অনন্যা গোস্বামী, জেএম মারুফ সিদ্দিকী, নিবিড় রহমান, তনুশ্রী গোস্বামী, নাজনীন আক্তার শীলা, তাসাউফ-ই-বাকি বিল্লাহ রিবিন, সুমন কুমার দে, তৃপ্তি রানী ম্লল, শামীম রিমু, মিজানুর রহমান, মাহমুদুল হাসান, শাহানা রহমান, মেহেরুন্নেছা অনীক, শরীফ আব্দুল ওয়াহাব প্রমুখ।