বহিষ্কৃতদের নাম গোপন করে অন্যদের বিতর্কিত করা হয়েছে

বিভিন্ন অভিযোগে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ১৯জনের পদ শূন্য ঘোষণা করা হলেও তাদের নাম প্রকাশ না করায় কমিটির অন্যদের বিতর্কিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পদবঞ্চিতরা। তারা বলেন, নাম না জানানোর কারণে এখন কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ব্যতীত বাকি ২৯৯ জনের মধ্যে কারা বিতর্কিত তা নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) রাজু ভাস্কর্যের সামনে সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গত কমিটির প্রচার সম্পাদক সাইফ বাবু। তিনি বলেন, আন্দোলনের মুখে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক প্রথমে ১৭ জনের কথা স্বীকার করলেও ১৪ দিন পর গতকাল রাতে ১৯ জনের পদ শূন্য করার কথা উল্লেখ করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। তাদের এই পদক্ষেপ আজ প্রমাণ করল আমাদের দাবি ও আন্দোলন গুরুত্বহীন ছিল না। ১৯টি পদ শূন্য হলেও এখনও যে যার মতো স্বপদে বহাল আছে। এটা সুপরিকল্পিত নয়, অপরাজনীতি, চাতুরি। তিনি অবিলম্বে শূন্য হওয়া ১৯ জনের নাম ও পদের বিষয়টি স্পষ্ট করার দাবি জানান। একই সঙ্গে তাদের  সব দাবি মেনে কমিটি পুনর্গঠন না করা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচী অব্যাহত রাখারও ঘোষণা দেন তিনি।

ছাত্রলীগের সাবেক দফতর বিষয়ক উপ-সম্পাদক শেখ নকিবুল ইসলাম সুমন বলেন, শুধু ১৯ জন নয় কমিটিতে থাকা বাকি বিতর্কিতদেরও বহিষ্কার করতে হবে। রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বিএম লিপি আক্তার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শূন্য করা ১৯ জনের নাম প্রকাশ করার আহ্বান জানান তিনি। এসময় আন্দোলনকারীরা উদ্ভুত সমস্যা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাত কামনা করেন।