মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সাফল্যের হাতছানি

মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হয়ে সুযোগ রয়েছে সমুদ্রের নীল জলে ভেসে বেড়ানোর। এই বিষয়ে আমাদের দেশে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পড়ালেখা করিয়ে থাকে, তাদের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশের বেসরকারি প্রথম মেরিন একাডেমি শাহ মেরিন অ্যান্ড বিজনেস ইন্সটিটিউট। জাহাজের চিফ ইঞ্জিনিয়ারের মতো কাণ্ডারি হয়ে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পেতে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং হতে পারে আপনার সহায়। প্রচলিত বিভিন্ন সেক্টরে চাকরির তুলনায় মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের সুযোগ-সুবিধা অনেকটাই বেশি। তাই এই পেশায় বাংলাদেশের তরুণদের উদ্বুদ্ধ সফল মেরিন ইঞ্জিনিয়ার শাহ মমিনুল ইসলাম চৌধুরী প্রতিষ্ঠা করেছেন ব্রিটিশ-বাংলাদেশের যৌথ প্রচেষ্টায় প্রথম বেসরকারি মেরিন একাডেমি। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, ব্রিটিশ-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শাহ মেরিন অ্যান্ড বিজনেস ইনস্টিটিউট ২ বছর মেয়াদি মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালনা করছে। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তিতে শুধু মাত্র বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করে জিপিএ ৩.৫ পেয়ে ভর্তি হতে পারবে। এই ২ বছর মেয়াদি কোর্সের প্রথম এক বছর আমাদের দেশে এবং দ্বিতীয় বছর ইংল্যান্ডের সাউথ টাইনসাইড কলেজ সম্পন্ন করতে হবে। পড়ালেখা শেষে সার্টিফিকেট প্রদান করবে ইংল্যান্ডের সাউথ টাইনসাইড কলেজ, যা একজন মার্চেন্ট মেরিনারের আর্ন্তাতিক জাহাজে চাকরির সুযোগ করে দেবে। আমাদের দেশের একজন মেরিনার ব্রটিশ সার্টিফিকেট পেতে পারে শুধুমাত্র শাহ মেরিন বিজনেস ইনস্টিটিউট থেকে পড়ালেখা করে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে যেখানে সাধারণ কোনো বিষয়ে পড়ালেখা শেষে চাকরির নিশ্চয়তা নেই, সেখানে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পেশায় রয়েছে সফল ক্যাডেটদের শতভাগ চাকরির নিশ্চয়তা। যা একজন মেরিনারকে গড়ে দিবে আগামী সুন্দর স্বপ্নীল ভবিষ্যত্। এই ধারাবাহিকতায় শাহ মেরিনের প্রথম ব্যাচের ক্যাডেটরা ইংল্যান্ড থেকে পড়ালেখা শেষ করে দেশে ফিরে সিডিসি নিয়ে সিঙ্গাপুর, মালেয়শিয়া, থাইল্যান্ড, চাইনা, ভিয়েতনাম, ম্যাঙ্গোলিয়া, ইরান, কোরিয়া ও কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ও দেশি জাহাজ কোম্পানিতে চাকরিরত রয়েছে। তাই মেরিন সেক্টরে মেরিনার তৈরির ক্ষেত্রে শাহ মেরিনের বিশেষ অবদান রাখার পরিপেক্ষিতে এ বছর চালু করছে আর একটি নতুন বিষয়—বিজনেস ম্যানেজমেন্ট। ২ বছর মেয়াদি এইচএনডি ইন বিজনেজ ম্যানেজমেন্টে যেকোনো বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে। শাহ মেরিন ঢাকার অদূরে বংশাই নদীর পারে অত্যান্ত আধুনিক ইন্টরিয়ার ডিজাইনে নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাজ শুরু করেছে। তত্ত্বীয় পড়ালেখার সাথে সাথে ব্যবহারিক ক্লাস এবং চাকরি পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে বদ্ধ পরিকর এই প্রতিষ্ঠানটি। যোগাযোগ :শাহ মেরিন অ্যান্ড বিজনেস ইনস্টিটিউট, আদর্শ ছায়া নীড় হাউজিং সোসাইটি, বাড়ী ১, রিং রোড, শ্যামলী, ঢাকা। ফোন :০১৯২৬৬৯৮৫৫৭।