বিভিন্নস্থানে সংঘর্ষে ৩৪ জন আহত
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০১৪, ২১:০৫
যশোরের শার্শায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখকদের দু‘গ্রুপের ৪, নবীনগরে ১০, ছাতকে ২০ জনসহ বিভিন্নস্থানে সংঘর্ষে ৩৪ জন আহত হয়েছেন।
শার্শায় দলিল লেখকদের সংঘর্ষে আহত ৪
শার্শায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখকদের দু‘গ্রুপের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৪ জন আহত হয়েছে। ভাংচুর করা হয়েছে দলিল লেখকদের সেরেস্তাখানা। গত চারদিনে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কোনো দলিল রেজিস্ট্রি হয়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুতর আহত আক্তারুজ্জামন শিমুলকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত বুধবার বিকেলে দলিল লেখক কাজী শহিদুজ্জামান শিল্পীসহ কয়েকজন যুবক বর্তমান দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মহাসিন আলী ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম ঝন্টুর নিকট সমিতির বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় আবারও দু‘গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। সন্ধ্যায় দলিল লেখকদের সেরেস্তাখানা ভাংচুর ও বোমা ফাটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে একটি পক্ষ। এরপর রাত ৮টা পর্যন্ত চলে এসব তাণ্ডব। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে দু’গ্রুপে সংঘর্ষে আহত হয়, শিমুল, ঝন্টু, শিল্পী ও কবির।
এ ব্যাপারে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মোজাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দলিল লেখককের সংঘর্ষের কারণে গত চারদিনে কোনো জমি রেজিস্ট্রি হয়নি। জমি রেজিস্ট্রি না হওয়ায় সরকার প্রায় ২০ লাখ টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিষয়টি জেলা রেজিস্ট্রার কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
নবীনগরে বাড়ির সীমানা নিয়ে
সংঘর্ষ আহত ১০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের মেরকুটা গ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে শহিদ মিয়ার ছোট ভাই দনু মিয়ার সাথে বাড়ির সীমানা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে দুই ভাইয়ের পরিবারের মাঝে সংঘর্ষ বাধে এতে মহিলাসহ ১০জন আহত হয়। গুরুত্বর আহত সেলিম (২৬), খোশনাহার (৪০), দনু মিয়া (৫০), শহিদ মিয়া (৭০), আছমা আক্তার (৩০), জালাল মিয়া (৩৮), হানিফ মিয়াকে (৩০) নবীনগর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে
মহিলাসহ আহত ২০
সুনামগঞ্জের ছাতকে দোকান চুরির ঘটনা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ ২০ ব্যক্তি আহত হয়েছে। গুরুতর আহত ২জনকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের মায়েরকুল নয়াগাঁও গ্রামের মৃত আফতাব আলীর পুত্র আব্দুল কদ্দুছ ও একই গ্রামের আতাবুলের পুত্র সমছু মিয়া পক্ষদ্বয়ের মধ্যে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রাম সংলগ্ন সড়কের পাশে আব্দুল কদ্দুছের একটি স্টেশনারী দোকান রয়েছে। বুধবার গভীর রাতে দোকানের তালা ভেঙ্গে মালামাল চুরি হয়ে যায়। চুরির ঘটনা নিয়ে সমছু মিয়া পক্ষকে সন্দেহ করা হলে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।