মোবারক মাহে রমজান
অধ্যাপক হাসান আবদুল কাইয়ূম
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০১৪, ২২:৫৭
আজ ১৯ রমজান। মাহে রমজানের মাগফিরাত দশকের শেষ পর্যায়ে এসে গেছি। রমজান মাস দু’আ কবুলের মাস। দু’আও ইবাদতের শামিল। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম দু’আকে ইবাদতের মজ্জা বলেছেন।
দু’আ কবূল হবার জন্য যেসব অনুষঙ্গ রয়েছে তা জানা প্রয়োজন। তিনি বলেছেনঃ সুনিশ্চিত কবুলের আশা নিয়ে আল্লাহর নিকট দু’আ করবে, অমনোযোগী দু’আ আল্লাহ্ কবূল করেন না (তিরমিযী শরীফ)।
আল্লাহ্ জাল্লা শানুহু ইরশাদ করেনঃ তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো। যারা অহংকার বশে আমার ‘ইবাদতে বিমুখ, তারা অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে। (সূরা মু’মিন: আয়াত ৬০)।
দু’আ করার আগে দরূদ শরীফ পাঠ করা অবশ্য কর্তব্য। হাদীস শরীফে আছেঃ যে পর্যন্ত প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ শরীফ পেশ করা না হয় সে পর্যন্ত সেই দু’আ আসমান ও যমীনের মাঝখানে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে। (তিরমিযী শরীফ)
দরূদ শরীফ পাঠে রয়েছে অশেষ সওয়াব। মীলাদ মহফিল এবং সেই মহফিলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে: ইয়া নবী সালামু ‘আলায়কা...সম্মিলিতভাবে মধুর ইল্হানে পাঠ করার মধ্যে নবী প্রেমের দৃষ্টান্ত বিকশিত হয়। কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছে: নিশ্চয়ই আল্লাহ্ এবং তাঁর ফেরেশ্তাগণ নবীর প্রতি দরূদ পাঠ করেন, ওহে তোমরা যারা ঈমান এনেছো, তারা নবীর প্রতি দরূদ পেশ করো এবং তাঁকে যথাযথ সম্মানের মাধ্যমে সালাম জানাও। (সূরা আহ্যাব: আয়াত ৫৬)।
একশ্রেণির লোক আমাদের সমাজে তারা মীলাদ কিয়ামকে বিদ্‘আত বলেন, তাদের কাছে এই বিদ’আত সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট কথা নেই। তারা মনে হয় শয়তানের চেলা চামুন্ডা। ওদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া উচিত।