চট্টগ্রামে ৫শ’ গজের মধ্যে হেফাজত ও আহলে সুন্নাতের সমাবেশ
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০১৪, ২৩:০০
গাজায় ইসরাইলী ‘গণহত্যা’ বন্ধের দাবিতে আজ শুক্রবার একই সময়ে নগরীর কাছাকাছি দু’টি স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে হেফাজতে ইসলাম ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত। বাদ জুমা আন্দরকিল¬া জামে মসজিদের উত্তর গেটে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল আহ্বান করেছে হেফাজতে ইসলাম চট্টগ্রাম মহানগর শাখা। একই সময়ে মাত্র ৫০০ গজ দূরে নগরীর লালদিঘী ময়দানে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের সমাবেশ করার কথা রয়েছে। দু’টি দলই সমাবেশ করার জন্য পুলিশের অনুমতি পাওয়ার দাবি করেছে। পুলিশ বলেছে, মানবিক ইস্যুতে আয়োজিত যে কোনো কর্মসূচিতে পুলিশ সহায়তা করবে। তবে সংগঠন দু’টি অতীতে পরস্পর বিরোধী অবস্থানে থাকায় কোন ধরনের সংঘাত এড়াতে পুলিশ সতর্ক থাকবে। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (সদর) মাসুদুল হাসান পুলিশের এ সতর্ক অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।
উলে¬্লখ্য, নাস্তিক মুরতাদদের মৃত্যুদণ্ডের বিধানসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে থেকে গত বছর ব্যাপক আলোচনায় ছিল হেফাজতে ইসলাম ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হেফাজতে ইসলাম চট্টগ্রাম মহানগরী শাখার প্রচার সম্পাদক মাওলানা আ.ন.ম আহমদ উল্ল¬াহ ইত্তেফাককে বলেন, এটা আমাদের কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়। উভয় সংগঠনই গাজায় আক্রান্ত মুসলমানদের রক্ষার দাবিতে রাস্তায় নামছে। আমরা কেউ কারো প্রতিপক্ষ নই।
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের সদস্য সচিব মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার ইত্তেফাককে বলেন, মিছিল না করার শর্তে পুলিশ আমাদের শুধু সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে। আমরা ফিলিস্তিনের মুসলিমদের জন্য রাস্তায় নামবো। একই দাবিতে আর কেউ কর্মসূচি দিলে তাদের সঙ্গে আমাদের সংঘাত হবে কেনো।
আরব লীগ ও ওআইসি’র সমালোচনা
ফিলিস্তিনি জনগণের উপর ইসরাইলি বাহিনীর নির্মম গণহত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে আজ শুক্রবার বাদ জুমা দেশের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী। গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইসরাইলি বাহিনী বর্বর হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। এটা কোনভাবে শান্তিকামী বিশ্ব মেনে নিতে পারে না। অথচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে ফিলিস্তিনের গণহত্যা বন্ধে প্রভাবশালী মুসলিম দেশসমূহের কোন ভূমিকাই লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে আরব লীগ ও ওআইসি’র ভূমিকা চরম হতাশাজনক।