পটিয়ায় বেড়িবাঁধ সংস্কার না হওয়ায় ঝুঁকিতে আমন চাষ

সমপ্রতি প্রবল বর্ষণে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে চট্টগ্রামের পটিয়া শ্রীমাই খালের চার অংশে ভেঙ্গে যাওয়া বেড়িবাঁধ একমাসেও সংস্কার হচ্ছে না। ফলে ছনহরা ও ভাটিখাইন ইউনিয়ন এলাকার প্রায় সহস্রাধিক একর জমি আমন চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সমপ্রতি বর্ষার শুরুতে প্রবল বর্ষণে পাহাড়ী ঢলে পটিয়া শ্রীমাই খালের বেড়িবাঁধের ভাটিখাইন ও ছনহরা ইউনিয়ন এলাকার চার স্থানে ভেঙ্গে নিয়ে যায়। এতে ভাটিখাইন এলাকায় কয়েকটি পাকা ঘরও ভেঙ্গে যায়। ফলে পানির ঢলে নেমে আসা পলিতে বিভিন্ন এলাকার ফসলী জমি ভরাট হয়ে যায়। বর্তমানে ভাঙন অংশে মেরামত না করায় ছনহরা ও ভাটিখাইন ইউনিয়ন এলাকার প্রায় সহস্রাধিক একর জমি আমন চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টি হলে খালের ভাঙন অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে পুনরায় জমিগুলো পানিতে ভরাট হয়ে যায়। বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের পর স্থানীয় এমপি সামশুল হক চৌধুরী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- পটিয়ায় খাল পুনঃখনন বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ গত অর্থবছরে প্রায় ৫ কোটি টাকা পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় খাল পুনঃখনন বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলেও ভাটিখাইন ও ছনহরা অংশে বাঁধ নির্মাণ করতে গেলে স্থানীয় লোকজন রাস্তার পাশে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে বাধা দেয়। ফলে উক্ত ভেঙ্গে যাওয়া অংশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে পারেনি। এতে শ্রীমাই খালের প্রবল স্রোতে অসমাপ্ত বেড়িবাঁধের অংশ দিয়ে ভেঙ্গে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। ভাটিখাইন ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুল আলম ও ছনহরা ইউপি চেয়ারম্যান কামালউদ্দীন জানান- বেড়িবাঁধের ভেঙ্গে যাওয়া অংশ দিয়ে বর্তমানে এলাকাবাসীর চলাচলে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভাঙন এলাকা সংস্কার না হওয়ায় ছনহরা ও ভাটিখাইন এলাকার বিপুল সংখ্যক জমি আমন চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।