গ্রেপ্তার এড়াতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় অভিযুক্ত ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন। তার বিরম্নদ্ধে বিরম্নদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর তাকে খুঁজে না পাওয়ার কথা পুলিশ জানালেও গতকাল তার পড়্গে সালমা সুলতানা নামের এক আইনজীবী হাইকোর্টের সংশিস্নষ্ট শাখায় জামিনের আবেদন দাখিল করেন।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আজ হাইকোর্টে ফৌজদারি মোশন বেঞ্চ না থাকায় এ আবেদনের উপর শুনানির সম্ভাবনা নেই। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ঈদের পর জামিনের এই আবেদনটি হয়তো কোন বেঞ্চে শুনানির জন্য পেশ করা হতে পারে। তবে বাদী ও রাষ্ট্রপড়্গ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হবে।
গত সোমবার পিবিআইয়ের দেওয়া অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ওসি মোয়াজ্জেমের বিরম্নদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল। অধ্যড়্গ কর্তৃক যৌন হয়রানির শিকার মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির বক্তব্যের ভিডিও ধারণ ও তা ছড়ানোর অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় এই পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামছ জগলুল হোসেন। এই পরোয়ানা সংক্রান্ত্ম তামিল প্রতিবেদন আগামী ১৭ জুন দাখিলের জন্য মামলার তদন্ত্মকারী কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। কিন্তু পরোয়ানা জারির পর এখনো গ্রেপ্তার হননি সাময়িক বরখাসত্মকৃত এই ওসি। মামলার বাদী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, গ্রেপ্তার এড়াতে ওসি গা ঢাকা দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্ত্মরিক হলে তাকে গ্রেপ্তার করা কোন ব্যাপার নয়।
সোনাগাজীর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যড়্গ সিরাজউদদ্দৌলা কর্তৃক গত ২৭ মার্চ যৌন হয়রানির শিকার হন নুসরাত। ঘটনার দিন অধ্যড়্গ, নুসরাত ও তার পরিবারের সদস্যদের থানায় ডেকে নেন ওসি। পরে নিজ মোবাইলে নুসরাতের বক্তব্যের ভিডিও ধারণ করেন অন্যের মোবাইলে পাঠান যা পরবর্তীতে ভাইরাল হয়। ওই ভিডিও ধারণের ঘটনায় ওসির বিরম্নদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়।