খানা-খন্দে ভরা দোহার পৌরসভার মূল সড়ক
মো. কাজী সোহেল, দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০১৪, ২০:৩৬
ঢাকার দোহার পৌরসভার মূল সড়ক খানা-খন্দে ভরা। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিশু-মহিলা ও রোগীদের যাতায়াতে বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয়। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে পৌরবাসীর দুর্ভোগ আরো বাড়ি দিয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তায় কাদামাটি একাকার হয়ে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে এ সড়কটি। প্রতিদিনের বাজার ছাড়াও বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক হাটের দিন দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মানিকগঞ্জের হরিরামপুর ও ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থেকে শত শত ব্যবসায়ীরা এ হাটে আসেন।
পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের লটাখোলার করম আলীর মোড় থেকে উপজেলা ফটক হয়ে জয়পাড়া পাইলট স্কুল পর্যন্ত প্রায় ২ কি.মি. রাস্তায় পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গেছে।
গতি পরিবহনের চালক মো. জামাল মিয়া বলেন, এ রাস্তায় গাড়ি চালাতে গিয়ে ইঞ্জিন চেসিস বিকল হয়ে যায়। ঝাঁকুনিতে যাত্রীদের গালিগালাজ খেতে হয়। শুধু তাই নয় এক ঘণ্টার রাস্তা যেতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লেগে যায়। আমাদের উপার্জন কমে গেছে।
জয়পাড়া বাজারের ব্যবসায়ী জামাল বেপারী বলেন, জয়পাড়া হাটে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। রাস্তার দুরবস্থায় মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে।
লটাখোলা বাজারের ব্যবসায়ী আলী হোসেন বলেন, আশপাশে কয়েকটি উপজেলার ব্যবসায়ীদের বাণিজ্য কেন্দ্র জয়পাড়া বাজার। এখানে আসতে সাধারণ মানুষকে যে ভোগান্তি পোহাতে হয় সেটা খুবই অমানবিক।
জয়পাড়া কলেজের একজন প্রভাষক নামপ্রকাশ না করার শর্তে জানান, রাস্তার উন্নয়নে বরাদ্দকৃত অর্থের বেশির ভাগই লুটপাট হয়। তাই কাজ করার অল্প সময়ের মধ্যেই খানা-খন্দ, গর্ত ও ডোবায় পরিণত হয়।
দোহার ইউএনও নুরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, রাস্তাটির অবস্থা খুবই করুণ। এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের সভায় আলোচনা হয়েছে। পৌরসভাকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
দোহার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান বলেন, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য বিশ্ব ব্যাংক সংস্থার কাছে অর্থ বরাদ্দ চেয়ে প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাস হলে আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে দরপত্র আহবান করা হবে।