আন্তর্জাতিক মানের কনভেনশন সেন্টার নির্মাণ হবে

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক মানের একটি কনভেনশন সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রবিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভা শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এ সেন্টারে পাঁচ হাজার মানুষের ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি হলরুমে একসঙ্গে ১০ হাজার লোকের সমাগম ঘটানো যাবে। এছাড়া এক্সিবিশন হল রুম, ছোট ছোট কয়েকটি হল রুমের পাশাপাশি এখানে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিরও একটি করে দপ্তর থাকবে। রবিবার সচিবালয়ে সভা শেষে অর্থমন্ত্রী আরো জানান, এজন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। তারপর কাজ শুরু হবে। দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, কনভেনশন সেন্টারটি নির্মাণে এক থেকে দেড়শ’ বিঘা জমির প্রয়োজন হবে। এজন্য ঢাকার আশপাশের তিনটি স্থানের কথা প্রাথমিকভাবে ভাবা হচ্ছে। তবে কমিটি চাইলে এই তিনটি স্থানের বাইরেও উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করতে পারবে। ঢাকার আশপাশে যেখানে এই কনভেনশন সেন্টার নির্মাণ করা হবে তার কাছাকাছি এলাকায় বিমানবন্দর, রেল যোগাযোগ ও উড়াল সড়কসহ সব ধরনের যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকবে। জায়গার নাম শুনে যদি জমির দাম বেড়ে যায় এজন্য এদিন অর্থমন্ত্রী স্থানগুলোর নাম জানাননি। এধরনের আন্তর্জাতিক মানের কনভেনশন সেন্টারের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সামপ্রতিক সময়ে নানা কারণেই বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। কিছু কিছু দেশ এখানে কনভেনশন করতে আসতে চাচ্ছে। সেসব দিক বিবেচনা করেই এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এর জন্য ব্যয় হবে ৩০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় দুই হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। প্রাথমিকভাবে কনভেনশন সেন্টার নির্মাণের জন্য দু’টি জায়গাকে নির্বাচিত করা হয়েছে। একটি হচ্ছে বুড়িগঙ্গার অপর পারে ঢাকা-মাওয়ায় আরেকটি ঢাকা-দোহার এলাকায়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। সূত্র জানায়, এ সেন্টারটিতে প্রধানমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীদের জন্য ১০-১৫টি দফতরের ব্যবস্থা থাকবে।