তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০১৪, ২০:২২
একাদশ ও দ্বাদশ
এক কম্পিউটারের সাথে অপর কম্পিউটারের সংযুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থাকে LAN বলে
প্রকাশ কুমার দাস
প্রভাষক, কমিপউটার শিক্ষা
মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী গার্লস কলেজ, ঢাকা।
প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, আজও ২য় অধ্যায়-কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং থেকে কয়েকটি প্রশ্নোত্তর নিয়ে আলোচনা করা হলো। এগুলো তোমরা সংগ্রহ করে পড়বে।
প্রশ্ন-১। ওয়াই-ম্যাক্স এর ব্যবহার ও সুবিধা-অসুবিধাগুলো লিখ।
উত্তর : Wi-MAX এর ব্যবহার:
১. সহজে বহনযোগ্য ব্রডব্যান্ড সংযোগের ক্ষেত্রে শহরে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যবহার করা যায়।
২. ক্যাবল এবং DSL এর পরিবর্তে ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড সংযোগে।
৩. ডেটা এবং টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিসে।
৪. প্রতিনিয়ত ব্যবসায়ের পরিকল্পনা করতে ইন্টারনেট সংযোগে।
Wi-MAX এর সুবিধা:
১. শতাধিক ব্যবহারকারী একক বেস স্টেশন ব্যবহার করতে পারে।
২. নতুন ব্যবহারকারী অধিক দ্রুত যোগাযোগ করতে পারে।
৩. নেটওয়ার্কের 10 কিলোমিটারের মধ্যে গতি 10 Mbps পাওয়া যায়।
৪. নেটওয়াকির্ং এরিয়া সাধারণত 10 কিলোমিটার থেকে 60 কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৫. এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড এবং একই ফ্রিকোয়েন্সিতে একত্রে কাজ করে।
৬. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস বা সিগন্যাল নয়েজ কম।
Wi-MAX এর অসুবিধা:
১. দূরত্ব বেশি হলে একাধিক বেস স্টেশনের প্রয়োজন হয়।
২. অধিক দূরত্ব সংযোগের জন্য নেটওয়ার্ক দুর্বল হতে পারে।
৩. দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াতে সিগন্যাল সমস্যা দেখা দেয়।
৪. অন্যান্য ওয়্যারলেস যন্ত্রপাতিতে বাধার সৃষ্টি করে।
৫. একই এলাকায় ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ব্যান্ড উইথড কমে যায়।
৬. বিভিন্ন ধরনের ফিকুয়েন্সি ব্যবহূত হয়।
৭. Wi-MAX অধিক বিদ্যুত্ ব্যবহূত হয় বিধায় বেশি বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়।
৮. ডেটা ট্রান্সফার রেট অপটিক্যাল ফাইবার বা স্যাটেলাইটের তুলনায় কম।
৯. টাওয়ারের কাছে গতি 30 Mbps থাকে কিন্তু সেল সীমানায় গতি কমে 14 Mbps হয়।
১০. অধিক ব্যয়বহুল ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।
প্রশ্ন-২। Wi-Fi ও Wi-MAX এর মধ্যে পার্থক্য লিখ।
উত্তর : Wi-Fi ও Wi-MAX এর মধ্যে পার্থক্য:
Wi-Fi Wi-MAX
১. Wi-Fi এর পূর্ণরুপ Wireless Fidelity। ১. Wi-MAX এর পূর্ণরুপ World Wide Interoperability for Microwave Access।
২. এর কভারেজ খুবই সীমিত। ২. এর কভারেজ প্রায় ৪৮ কিলোমিটার।
৩. এর নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ওয়্যারলেস লোকাল নেটওয়ার্ক এরিয়া (WLAN) এর মত। ৩. এর নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন নেটওয়ার্ক এরিয়ার মত।
৪. নেটওয়ার্কের খরচ কম। ৪. নেটওয়ার্ক ব্যয়বহুল।
৫. নেটওয়ার্কের গতি কম। ৫. নেটওয়ার্কের গতি অতি দ্রুত।
৬. Wi-Fi সীমিত এলাকার মধ্যে শুধু ফাইল শেয়ারিং করা যায়। ৬. এর গতি ব্রডব্যান্ডের মত এবং এর সাহায্যে ডেটা পারাপার, শব্দ, ভিডিও দ্রুত গতিতে আদান-প্রদান করা যায়।
৭. এর ব্যবহার ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ। ৭. এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৮. এর স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11। ৮. এর স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16।
৯. এটি হাফ ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহার করা হয়। ৯. এটি ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহার করা হয়।
১০. এর সিগন্যাল নয়েজ সর্বোচ্চ 10 db (decibel)। ১০. এর সিগন্যাল নয়েজ সর্বোচ্চ 7 db (decibel)