ঈদ উপলক্ষে শাহজাদপুরে জমে উঠেছে কাপড়ের হাট
শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০১৪, ২১:৫৩
শাহজাদপুর কাপড়ের হাটে ঈদকে সামনে রেখে হাজারও মানুষের সমাগম, কোটি কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, স্বাভাবিক সময়ে শাহজাদপুরের সাপ্তাহিক কেনা-বেচা ১শ’ কোটি টাকা হলেও ঈদকে ঘিরে ব্যবসা ৫গুণ বৃদ্ধি পায়। ভারতীয় সিল্ক আর পাকিস্তানী জর্জেট শাড়িকে পিছনে ফেলে শাহজাদপুরের তাঁতের শাড়ি বাঙালি নারীদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে রয়েছে। শাহজাদপুরের মুকুল কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক হাজী আব্দুর রউফ বুলবুল জানান, সপ্তাহে তিনি ২শ’ পিস শাড়ি উত্পাদন করছেন। একটি শাড়ি তৈরি করতে একজন দক্ষ শ্রমিকের ৪ দিন সময় লাগে। তিনি আরও জানান, নতুন নতুন ডিজাইনের এ শাড়ির নাম রাখা হয়েছে ফুলকলী, রোজভেলি, রেডরোজ, রানীমা, রজনী, রাজবধু, পিউরি, উপমা, ঝলক, শিবনি, মৌনতা, পূর্নতা, কোহেলী, উলফা, ঝিলিক, পাখিসহ আরো অনেক নাম।
শাহজাদপুরের কাপড়ের হাটকে কেন্দ্র করে বৃহত্তর পাবনা জেলার শাহজাদপুর, বেলকুচি, চৌহালী, কামারখন্দ, উল্লাপাড়া, বেড়া, সাথিয়া, পাবনা সদর দোগাছিসহ বিভিন্ন স্থানে সহস াধিক হ্যান্ডলুম, পাওয়ারলুম, স্ক্রীনপ্রিন্ট, ডাইং, এম্ব্রোডারিসহ বিভিন্ন সহায়ক শিল্প-কারখানা গড়ে উঠেছে। এসব শিল্প-কারখানায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় কয়েক লাখ শ্রমিক জড়িত রয়েছে। এখানে রবি ও বুধবার কাপড়ের হাট বসলেও ঈদ উপলক্ষে একদিন আগেই গত শনিবার শাহজাদপুরে কাপড়ের হাট বসেছে। এ হাটে এসেছিলেন বগুড়া থেকে সুলতানা বেগম। তিনি হাট থেকে তাঁতের কাপড়, লুঙ্গি, গামছা কিনে নিয়ে যাবেন বগুড়ায়। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা অনেকেই সুলতানা বেগমের মত শাহজাদপুর কাপড়ের হাট থেকে শাড়ি, লুঙ্গি ও অন্যান্য বস্ত্র কিনে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছেন।