প্রধান শিক্ষকের পদ শূনের আগেই নতুন নিয়োগ!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হওয়ার আগেই ওই পদে বদলি করা হয়েছে এক সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষিকাকে। অভিযোগ রয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নিয়ম-নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বদলি করান। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে জুন মাসে কোন বদলির আদেশ জারি হয় না। তারপরও ওই মাসে বদলি করিয়ে অতীতের রেকর্ড ভঙ্গ করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। এ নিয়ে আখাউড়ার শিক্ষক মহলে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। আখাউড়ার ৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়মভঙ্গকারীর শাস্তি দাবি করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পদ শূন্য হলে ওইদিন থেকে বিজ্ঞপ্তি দিতে হয়। ওই পদে যত আবেদন জমা পড়ে তার মধ্য থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সর্্বোচ্চ সিনিয়র শিক্ষককে ওই শূন্য পদে বদলির অনুমতি দেন। কিন্ত গত ২ জুলাই উপজেলার ধাতুর পহেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা গীতারানী পাল অবসরে গেছেন। তিনি অবসরে যাওয়ার আগেই ওই শূন্য পদে জুুনিয়র শিক্ষিকা খলাপাড়া প্রাথমিক সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রূপা ঘোষকে জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার অধিকারী বদলির অনুমতি দেন। বদলির খবর চাউর হওয়ার পর থেকে শিক্ষাসহ বিভিন্ন মহলে চাপা ক্ষোভ আর অসন্তোষ বিরাজ করছে।