ফার্নিচারের দোকানে বেড়েছে ঈদের কেনা-কাটার মতই ভিড়

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার তৈরিকৃত ফার্নিচারের সুনাম রয়েছে সারাদেশে। বিশেষ করে আধুনগর খাঁন হাটের ফার্নিচার মার্কেটের ফার্নিচার দেশে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ঈদে এ ফার্নিচারের চাহিদা আরো বেড়ে যায়। ঈদের সময় উপজেলার ফার্নিচার দোকানগুলোতে ঈদের কাপড় কেনার মত ভিড় থাকে। ঈদ ছাড়াও অন্যান্য সময়েও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিনিয়ত ক্রেতারা এসে ফার্নিচার কিনে নিয়ে যায়। দেশে নয় বিদেশেও এ অঞ্চলের ফার্নিচারের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। ফলে ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকা আয় করছে। উপজেলা সদর বটতলী, দরবেশ হাট, আমিরাবাদ, আধুনগর, চুনতি ও পদুয়াসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৩ হাজারের অধিক ফার্নিচার দোকান রয়েছে। এসব দোকানে কাজ করছে ৯ হাজারের অধিক কাঠ মিস্ত্রি। কাঠ মিস্ত্রি-কারিগররা দৈনিক শত শত বিভিন্ন ডিজাইনের ফার্নিচার তৈরি করছে। খাট-পালঙ্ক, চেয়ার-টেবিল, আলনা, আলমিরা, সোফাসেট, শোকেস থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকম-ডিজাইনের ফার্নিচার তৈরি হচ্ছে। ক্রেতাদের পছন্দ-ক্যাটালগ অনুযায়ী ফার্নিচার তৈরি করছে কারিগররা। অল্প শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত এসব কাঠ মিস্ত্রির মধ্যে কেউ কাঠে ফুল কাটার, কেউ কাঠ পরিষ্কার-মসৃণ করার, কেউ কাঠ সাইজ করার এবং কেউ রং করার কাজে ব্যস্ত থাকে। দিনরাত এরা চুক্তিতে ফার্নিচারের কাজ করে। এখানে বর্তমানে প্রতিটি দোকানে বিভিন্ন ডিজাইনের বিভিন্ন রকম ফার্নিচার সাজানো রয়েছে। আলাদা দোকানে কারিগররা ফার্নিচার তৈরি করছে। একটি সোফাসেটের কাঠের মান ও ডিজাইন অনুযায়ী দাম ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা আরো জানান, লোহাগাড়া সেগুন কাঠের আলাদা ডিজাইন ও শ্রী রয়েছে। কাঠও অত্যন্ত টেকসই। যে কেউ এ অঞ্চলের সেগুন কাঠ পছন্দ করবেই। এখানে অন্যান্য অঞ্চলের যারা চাকরি করেন যাওয়ার সময় তারা একসেট নতুন ডিজাইনের ফার্নিচার নিয়ে যায়।