ট্যানারি বর্জ্য দিয়ে তৈরি বিষাক্ত পোল্ট্রি খাদ্য ধ্বংস
প্রকাশ : ২৪ জুলাই ২০১৪, ২২:৪৮
রাজধানীর হাজারীবাগে পোল্ট্রি ফিড কারখানায় অভিযান চালিয়ে এক কোটি টাকার প্রায় ৩ হাজার টন বিষাক্ত পোল্ট্রি খাদ্য ও ৫ টন ট্যানারি বর্জ্য ধ্বংস করেছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বিষাক্ত পোল্ট্রি ফিড বিক্রির দায়ে কারখানার ২০ কর্মচারীকে সাজা দেয়া হয়েছে। সিলগালা করে দেয়া হয়েছে চারটি কারখানা। র্যাব জানায়, বিষাক্ত ক্রোমিয়ামযুক্ত ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে মাছ ও মুরগির জন্য এসব খাদ্য তৈরি করা হতো। এই খাদ্যের সাহায্যে উত্পাদিত মুরগির মাংস ও মাছ যা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
হাজারীবাগের কালুনগর বেড়িবাঁধে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আল-আমিনের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন র্যাব-৪ এর মেজর মোহাম্মদ মাসুদ এবং প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ডাঃ লুত্ফর রহমান। ক্রোমিয়ামযুক্ত ট্যানারি বর্জ্য দিয়ে মাছ ও মুরগির খাবার উত্পাদন করার দায়ে মেসার্স ইস্টার্ন ফিড মিলস, মেসার্স মামুন পোল্ট্রি ফিড লিমিটেড, রফিক পোল্ট্রি ফিড লিমিটেড ও মহিউদ্দিন পোল্ট্রি ফিড লিমিটেড কারখানা থেকে ৩ হাজার টন বিষাক্ত পোল্ট্রি খাবার এবং প্রায় ৫ টন ট্যানারি বর্জ্য জব্দ ও ধ্বংস করা হয়। এসময় সিলগালা করে দেয়া হয় কারখানা চারটি। পাশপাশি বিষাক্ত পোল্ট্রি খাবার তৈরি ও বাজারজাতের দায়ে ২০ কর্মচারীর প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান পরিচালনা করার সময় কারখানার হাজী শরীয়ত উল্লাহ, মামুন, রফিক ও মহিউদ্দিন মামুন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার জন্য প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়।