তাদের কথাও
ভাবতে হবে
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০১৪, ২১:৪১
আসছে ঈদ-উল-ফিতর। নানা কারণে ঈদের গুরুত্ব ও তাত্পর্য অপরিসীম। ঈদ এলেই আমরা ব্যস্ত হয়ে উঠি কেনাকাটায়। সামর্থ্য অনুযায়ী চলে কেনাকাটা। বিত্তবানদের অনেকেই কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় কাটান। অবশ্য এটা ব্যক্তির নিজস্ব ব্যাপার। আমাদের সমাজে সুবিধাবঞ্চিত, আশ্রয়হীন ও অসহায় মানুষের সংখ্যা অগণিত। তাদের প্রতি আমাদের রয়েছে সামাজিক, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ববোধ। আসুন এই ঈদে তাদের কথা নতুন করে ভাবি। বিশেষ করে ভেবে দেখি সুবিধাবঞ্চিত অসহায় শিশুদের কথা। যাদের কাছে একটি নতুন কাপড় অপরিসীম আনন্দের উত্স। বিত্তবানদের মধ্যে অনেকেই এ ব্যাপারে উদারহস্ত হলেও অনেকে নিজেকে আর নিজের পরিবারকে নিয়েই সমধিক ব্যস্ত। যে দোকান / বাজার থেকে আমরা থলেভর্তি কাপড়-চোপড়সহ সন্তানদের নিয়ে বেরিয়ে আসি তারই পথ ধরে একটু সাহায্যের জন্য দাঁড়িয়ে থাকে অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু। কী নির্মম নিয়তির খেলা ! আমাদের মধ্যে কেউ যখন মনের খায়েশ মেটাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে ঠিক কেউ তখন একমুঠো খাবার জোগাতে হিমশিম খাচ্ছে। আমরা তাদের সারা বছরের বস্ত্রের সংকুলান হয়তো করতে পারবো না কিন্তু এই ঈদকে উপলক্ষ করে (যাদের সামর্থ্য আছে) অন্তত একজন অসহায় শিশুর পাশে দাঁড়াতে পারবো। আমাদের নিকটাত্মীয়, প্রতিবেশীদের মধ্যেও থাকতে পারে এমন অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত শিশু। তাদের কথাও ভেবে দেখতে হবে। আমাদের একটু সচেতনতা অসংখ্য অসহায় শিশুর মুখে হাসি ফোটাতে পারে। একদিন তাদের মধ্য থেকেই কেউ হয়তো বাংলাদেশের মুখে হাসি ফোটাবে।
ঢাকা