প্রথমে সমুদ্র আঁকি শূন্যতার বৃত্তাকার ঠোঁটে
খেয়ালী ঢেউয়ের ঢঙে পেরিয়ে যাই
একেকটি জলচূড়া, কখনো শরীর ছেড়ে স্রোতের
অভিমুখে ভেসে যাই বাতাসের অনুকূলে
এরপর আকাশ লিখি জমিনের প্রান্তসীমায়
আগরবাতির অজস্র তারায় জ্বেলে রাখি ভবরাত্রি
স্মৃতির দূরত্ব পাখিদের উড়িয়ে দিই বিরল দৃশ্যবিভায়
কখনো অন্ধের ছায়া কুড়োনোর ভঙ্গিমায়
তোমাকে পাশ কাটিয়ে কিছুদূর গিয়ে
আবার পেছনে ফিরে দেখি কতটা পেরিয়ে
এলাম রক্তচিহ্নিত মৃত্তিকার পার্শ্বদেশ ছুঁয়ে
জারুলের অন্ধকারে যখনই জেগে ওঠো
বিষতির ছুড়ে ছুড়ে এগিয়ে যাই অনির্দেশ্য
হাওয়ারেখায়, দেখি কালো রক্তের ভয়াল সমুদ্র
এক জেগে উঠছে হামেশাই
তলিয়ে যাই, ক্রমশ তলিয়ে যাই...