ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র শবে কদর পালন
প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০১৪, ২২:৩৩
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর পরিবেশে রাত জেগে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে পবিত্র শবে কদর পালন করেছেন সারাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ। গতকাল শুক্রবার মহিমান্বিত এ রাতকে সামনে রেখে মসজিদে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ দোয়া। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনার পাশাপাশি ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলা থেকে ফিলিস্তিনি জনগণকে রক্ষার জন্যও আল্লাহ্ তায়ালার দরবারে মোনাজাত করা হয়।
শবে কদরকে আরবিতে বলা হয় লাইলাতুল কদর। এর অর্থ অতি সম্মানিত ও মহিমান্বিত রাত বা পবিত্র রজনী। আরবি ভাষায় ‘লাইলাতুন’ অর্থ হলো রাত্রি বা রজনী এবং ‘কদর’ শব্দের অর্থ সম্মান, মর্যাদা, মহাসম্মান। ইসলাম ধর্ম অনুসারে, এ রাতে ইসলামের মহানবী, মুহাম্মদের অনুসারীদের সম্মান বৃদ্ধি এবং মানবজাতির ভাগ্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তাই শবে কদর মুসলিম জাহানে অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত। এই রাতের ইবাদত হাজার রাতের ইবাদতের চেয়ে উত্তম। এ রাতেই পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন নাজিল হয়। এ রাতকে কেন্দ্র করে পবিত্র কোরআন শরিফে ‘আল-কদর’ নামে একটি সূরা নাজেল হয়। তাই শবে কদরের রাতে মুসলমানগণ মহান আল্লাহপাকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও পুণ্যলাভের আশায় নফল নামাজ আদায় করেন। পাশাপাশি কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার করে রাত অতিবাহিত করেন।
শবে কদর উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে গতকাল ওয়াজ মাহফিল, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত হয়। রাতে মুসল্লিরা জিকির-আজকার করেন। ফজরের নামাজের পর বিশেষ মোনাজাত হয়। মোনাজাতে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়। গতকাল তারাবিহ্র নামাজের পর সারাদেশে মসজিদে মসজিদে ওয়াজ মাহফিল ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা ও বয়সের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা অংশ নেন।