যখন চেয়েছি
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০১৪, ১৫:২৪
একদিন যখন আমার হূদয় দিয়ে তোমার হূদয় ছুঁতে চেয়েছি
তুমি তখন কিছুতেই সাড়া দাওনি।
আমি যখন আমার শরীর দিয়ে তোমার শরীর স্পর্শ করতে চেয়েছি
তখন তোমার শরীর বৈদ্যুতিক শিহরণে
নারকেল পাতার মতো কেঁপে উঠলেও তুমি আমার দিকে
ঘন বালিকার তীব্র আবেগ নিয়ে একটুও এগিয়ে আসোনি।
যখন আমার তৃষ্ণার্ত ঠোঁট দিয়ে তোমার মরুভূমি-ঠোঁটে
উষ্ণ লালার ঝর্ণাধারা বইয়ে দিতে চেয়ে প্রশংসা খাচ্ছি প্রকতির,
তখন তুমি নিদ্রাকাতর শিশুর মতো চোখ দুটো
নিথর আবেশে বন্ধ করে রেখেছো।
যখন তোমার অনাবৃত জঘনে স্থাপন করতে চেয়েছি
দীর্ঘদিন অনাহারক্লিষ্ট আমার উত্তেজিত পৌরুষ;
তুমি দু’হাতে লজ্জাবনত মুখ ঢেকে আমাকে
তোমার অধিকারের ওপর সাহসী হতে স্বাগত জানিয়েছো।
যখন আমি উত্তেজনার শেষ পারদে ভিজিয়ে দিতে চেয়েছি
ফুটন্ত গোলাপের মতো তোমার অনাঘ্রাত কুঁড়ি
তখন তুমি শক্ত হাতে চেপে ধরেছো আমার ভয়ঙ্কর গ্রীবা।
সকল কাজের শেষে যখন আমার নেতিয়ে যাওয়া পৌরুষ
লুটিয়ে পড়েছে তোমার অনাবৃত দুটি স্নিগ্ধ ফুলের ওপরে;
তখন তুমি এলোচুলে নিথর করে রেখেছো তোমার শ্রমক্লান্ত শরীর।
যখন উন্মোচিত ফুলের কুঁড়ির অপরূপ সৌন্দর্যের মতো
রতিক্লান্ত আমার রহস্যময় জৈবিক হাসির ভেতরে
তোমার সম্পূর্ণ নগ্নতাকে
বাত্সায়নের কামসূত্রের সূক্ষ্ম কারিগরের মতো
তিলে তিলে গ্রাস করতে চেয়েছি—
তখন খুব গহন থেকে আমি শুধুই উপভোগ করেছি
তোমার গর্ভবতী মৌনতাকে—
ততোক্ষণে তুমি হয়ে উঠেছো পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারী।