দুয়ারে দুয়ারে

দুয়ারে দুয়ারে গিয়েও কেবল চৌকাঠ পেরোনোর ভয়ে দাঁড়িয়েছি, ভেতরে তখন জলসা চলেছে মহা নদীনীল থেকে জলস্রোতা কোনোকালে অঙ্গের বিভাবরী সর্বংসহা। আমাকে ডাকল একটি আঙুল নাচের মুদ্রা ভেঙে গাড়িয়াল কেন সেই বাঁকে থামল না মেঘ হয়েছিল ভাদ্র-আঁতুর তবু মাটির শরীর একটুও ঘামল না। দুয়ারে দুয়ারে চৌকাঠ এক ঘোমটার মতো ঘেরে ভেতরে মেরেছে উঁকি সূর্যের সোনা হূিপন্ডের চলনের পথে নিকষ অন্ধকার জোনাকিতে জোনাকিতে হলো জাদুটোনা। কতো জলসায় মোহিনী ভরতে কত্থকে বাঁকা ভঙ্গি আমাকে ডাকল একটি আঙুল ভুলে চৌকাঠে থামা পায়ের পাতায় জল-ঢেলে-দেয়া চোখ সাজালো শয্যা মৃত্যুগন্ধ-ফুলে।