কবির বিষণ্ন বান্ধবী

১. শিহরণের কাল শুধু থেকে যায় শিয়রে কোথাও উড়ে যায় মেঘ, বিষণ্ন বিরহী মেঘ লীন শূন্যতায় এ কার ছায়া, কার ছায়া পাখা মেলে এ কোন বিরহী পথরেখা, এ কোন অচিন বিবাগী পাখি ক্ষণে ক্ষণে উড়ে আসে, আবার হারায় নীলে নতুন দিনের ভোরে তার কথা লিখে রেখে যাই দূরবর্তী মেঘ তুমি সাক্ষী একটু যদি পাই ঠাঁই রেখে দেবে জানি সঙ্গোপনে আলমারির তাকে রঙ ওঠা কোনো শাড়ির ভাঁজের ফাঁকে, পায়ে হাঁটা পথে স্মৃতির রেখা ধরে আবার হাঁটবে বলে খিল খুলে নিশ্চিত দাঁড়াবে চৌকাঠে। ২. সোনার প্রতিমায় তুমি আর ফেলো না বিষণ্নতার ছায়া নিসর্গে ফোটা স্বর্গীয় ফুল না হয় চিনেনি মালী আপাতত নিবিড় গোপন ব্যথা নীরবেই থাক। শাপগ্রস্ত দিনশেষে আবার এল যে সন্ধ্যা রহস্য বুঝি না কিছু, চলো আজ মায়া খুঁজি মায়া মিছে কেন আগলে রাখো স্তব্ধতা, একরাশ ভুল নতুন দিনের ভোরে কুড়াই চলো সোনালি বকুল।