আশুগঞ্জে ঈদ বঞ্চিত ত্রিশ হাজার চাতাল শ্রমিক
আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০১৪, ২১:২৩
কাল চাঁদ দেখা গেলে মঙ্গলবার মুসলমানদের অন্যতম প্রধান আনন্দ উত্সব ঈদুল ফিতর। প্রস্তুতি শেষে সবাই এখন এই উত্সব উদযাপনের অপেক্ষায়। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ উপজেলার ৫’ শতাধিক চাতালকলের ৩০ হাজার শ্রমিক পরিবারের নেই সে অপেক্ষা। কারণ তারা বঞ্চিত হচ্ছে এই ঈদ আনন্দ থেকে। ‘দাদন’ নামক দানবের পেটে আগে বিলীন হয়ে গেছে এসব শ্রমিক পরিবারের ঈদ আনন্দ। তারা শ্রমিক হলেও এখন তাদের এই ঈদ আনন্দ নির্ভর করছে দানশীল ব্যক্তি ও চাতাল মালিকের দান-দক্ষিণার উপর। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বৃহত্ চাল উত্পাদনের কেন্দ্রভূমি আশুগঞ্জ উপজেলার ৫ শতাধিক চাতালকলে কর্মরত প্রায় ৩০ হাজারের অধিক শ্রমিক, শিশুসহ নির্ভরশীল জনসংখ্যা প্রায় অর্ধ লক্ষ। এরা সবাই মুসলমান। এ শ্রমিকেরা সকলে প্রতিবছর অগ্রিম শ্রম বিক্রির (দাদন) কিছু টাকা হাতে নিয়ে ‘কাজ নেই, মজুরি নেই’ এ চুক্তিতে নামমাত্র মজুরিতে চাতালে কাজ করে থাকেন। আশুগঞ্জ বয়লার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী মোঃ রফিক জানান, ‘দাদন’ মালিক-শ্রমিক উভয়ের জন্য ক্ষতিকর। যদি শ্রমিকেরা দাদন না নিত তাহলে আমাদের পুঁজি কম লাগতো, আমরা তাদের মজুরি কিছু বাড়িয়ে দিতে পারতাম।