ধুনটের কারুশিল্পীরা ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত

ঈদ মানেই নতুনত্ব। তাই ঈদের আনন্দকে পরিপূর্ণ করতে চাই মনের মত পোশাক। ক্রেতাদের চাহিদা মোতাবেক নতুনত্ব নজরকাড়া ডিজাইন তৈরিতে এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে ধুনট উপজেলার ১০টি গ্রামের কারুশিল্পের প্রশিক্ষিত ২ শ’ নারী শ্রমিক। প্রতিবছরই ঈদের সময় নিত্যনতুন ডিজাইন ও অত্যাধুনিক কারুকাজের শাড়ি, পাঞ্জাবী ও থ্রিপিসসহ বিভিন্ন পোশাকের কদর বেড়ে যায়। তাই ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে এসব কাজে নিয়োজিত নারী শ্রমিকরা বাড়তি আয়ের আশায় একমাস আগে থেকেই কাজে লেগে দিন-রাত পরিশ্রম করছে। তারা শাড়ি, পাঞ্জাবী ও থ্রিপিসে চুমকি, জরি, পুঁতি, কারচুপি লাগিয়ে আকর্ষণীয় ও দামী করে তোলে। গ্রামের সাধারণ মহিলাদের এ কাজের সুযোগ করে দিয়েছে স্থানীয় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ধুনট ডেভেলপমেন্ট সেন্টার ফর পুওর পিপলস (ডিসিপি)। ডিসিপি উপজেলার ১০টি গ্রামের ২শ’ মহিলাকে কারুশিল্পের বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের অনেকে ডিসিপি কার্যালয়ে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকায় মাসিক বেতনে কাজ করছে। ডিসিপির নির্বাহী পরিচালক এনামুল বারী সরকার এ বিষয়ে বলেন, আমরা সংস্থার পক্ষ থেকে প্রথমে ২০ জন মহিলাকে বিনা খরচে প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজ শুরু করি। বর্তমানে প্রায় ১ হাজার নারী বিভিন্ন পোশাকে ডিজাইনের কাজ করে সাবলম্বী হচ্ছে। আমরা পোশাককে নান্দনিক করতে সবসময় নিত্যনতুন ডিজাইনের উপর তাদের প্রশিক্ষণ দেই এবং বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করে থাকি। তাছাড়া আমরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদেরকে বিভিন্ন কাজের অর্ডার দেই এবং উপযুক্ত মজুরি দিয়ে কাজ বুঝে নেই। মহিলাদের হাতে তৈরি এসব পোশাক রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরের অভিজাত মার্কেটে বিক্রি করে থাকি।