রাজগঞ্জে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা

চার্জশিটভুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরছে, ক্ষতিগ্রস্তরা আতংকে

বেগমগঞ্জ উপজেলার রাজগঞ্জের সংখ্যালঘুদের ওপর জামায়াত-শিবির কর্মী ও স্থানীয় দুর্বৃত্তদের হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নোয়াখালী ডিবি পুলিশ ১১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করলেও পূর্বে গ্রেফতার হওয়া সাতজন ছাড়া অপরাপর কেউ গ্রেফতার হয়নি। চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে রয়েছেন। অনেকে ঘরের মেয়েদের শহরে বসবাসকারী আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। পুরুষদের অনেকে রাতের বেলায় বাড়ি থাকেন না। গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ৪/৫ শ’ বহিরাগত ও স্থানীয় লোক মিছিল করে এসে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা চালায়, ভাংচুর করে এবং বেশ কিছু বাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। অনেকগুলো মন্দিরেও ভাংচুর চালায় তারা। ঐ সময় ৭১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো আড়াই হাজার অজ্ঞাত লোকের নামে মামলা দায়ের করা হলেও ২৮ ফেব্রুয়ারির নারকীয় ঘটনায় জড়িত অনেককেই অভিযুক্ত করা হয়নি বলে অভিযোগ করে আসছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। থানা পুলিশের কাজে সন্দেহের সৃষ্টি হওয়ায় এক পর্যায়ে মামলা নোয়াখালী ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়। ডিবি রাজগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা হারুনকে এবং মেম্বার কামরুল হাসানকে গ্রেফতার করে। এক বছর ব্যাপক তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশ গত এপ্রিলে ১১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। এদিকে পূর্বে গ্রেফতারকৃত সাতজন জামিনে মুক্তি পেয়েছে।