মাওয়া ঘাটে আজ ঢাকামুখী মানুষের চাপ বাড়তে পারে

ঈদে ঘরে ফেরা মানুষ এখনও কর্মস্থল রাজধানীমুখী হয়নি। তাই মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌ রুটে চাপ কম। শুক্রবার কিছু যানবাহন পার হয়েছে। আজ শনিবার থেকে ঘাটে মানুষের চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিকালে মাওয়াস্থ বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ম্যানেজার শেখর চন্দ্র রায় জানান, তিনটি রো রো ফেরিসহ ১৭টি ফেরিই সচল রয়েছে। মাওয়া রো রো ফেরি ঘাটে যে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে তা রোধেও সকল ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ঈদের আগের রাতে ৩০টি যানবাহন নিয়ে একটি রো রো ফেরি নয় ঘণ্টা আটকে থাকা ছাড়া এবার ঘরমুখো মানুষের তেমন কোন বিড়ম্বনা হয়নি। তবে ফেরার পথে অনুরূপ ঘটনা রোধে আরও সর্তক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদের আগের দিনের অবস্থা ঈদের আগের দিন সোমবার দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলা প্রবেশদ্বার মাওয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছিল। লৌহজং উপজেলার মাওয়ায় থেকে শ্রীনগর উপজেলার দোগাড়ি পর্যন্ত দুই কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন পড়ে। সৃষ্টি হয় যানজটের। ১৮ ফেরি সচল থাকলে পারাপার করে কুলিয়ে উঠতে পারছিল না। যানজটের কারণে অনেকে মাওয়া পর্যন্ত গাড়িতে এসেছেন এরপর লঞ্চ বা স্পিডবোটে পার হয়ে আবার কাওড়াকান্দি থেকে বাসে উঠছেন। তাই পারপারের অপেক্ষায় দূরপাল্লার বাসের চেয়ে প্রাইভেট কারের সংখ্যাই বেশি ছিল। এছাড়া ঢাকা-মাওয়া রুটের অনেক যানও আটকা পড়ে সেই যানজটে। তবে সবগুলো ফেরি সচল থাকায় সন্ধ্যার পরে এই যানজট কমে আসে। এদিকে মাওয়া ঘাটে এবার যাত্রী সেবায় আড়াই শতাধিক আইন-শৃঙ্খলারক্ষা বাহিনীর সদস্য কাজ করছে। রয়েছে, রোভার স্কাউট, বিএনসিসি, স্কাউটের প্রায় অর্ধশত সদস্য। কোন কিছু বুঝতে, জানতে অসুবিধা হলে এ স্কাউটরা যাত্রীদের সহযোগিতা করছে। এছাড়া জরুরি চিকিত্সার জন্য রয়েছে মেডিক্যাল টিম। নদী পথে স্পিডবোট ও ট্রলারে করে পুলিশ টহল দিচ্ছে। মাওয়ার বিভিন্ন স্থানে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল ও ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন মজুমদার।