গ্লাসগোয় আলো ছড়ালেন বোল্ট

উসেইন বোল্টের স্বভাবসুলভ দুরন্ত দৌড়ে বাড়তি ঔজ্জ্বল্য পেলো ২০তম কমনওয়েলথ গেমস। অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন ও বিশ্ব রেকর্ডধারী বোল্টের কৃতিত্বে গত শুক্রবার রাতে জ্যামাইকা চার গুণিতক ১০০ মিটারের রিলে দৌড়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে। তবে গতকাল শনিবার বাংলাদেশ সময় মধ্য রাতেই ফাইনালটি নিশ্চিত হয়ে গেছে। বোল্ট ও তার ক্যারিবীয় সতীর্থরা ৩৮.৯৮ সেকেন্ড সময় নেন। জ্যামাইকানটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ নৈপুণ্য দেখালেন তার বিরুদ্ধে গেমসটিকে ‘বিষ্ঠা’ বলে তাচ্ছিল্য করার অভিযোগ ওঠার দুই দিনের মাথায়। তিনি অবশ্য এই অভিযোগটি সঙ্গে সঙ্গেই অস্বীকার করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি কখনোই এ শব্দ ব্যবহার করিনি। আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা পছন্দ করি। এখানে এসেছি কারণ আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলাম বলে। এখানকার লোকজন আমার সঙ্গে খুবই দারুণ ব্যবহার করছে। গ্লাসগো দারুণ করছে, এখন পর্যন্ত সবকিছুই ভালো যাচ্ছে। কেবল আবহাওয়াটা ছাড়া, কেননা এখানে সত্যি অনেক ঠাণ্ডা। আমি এখানে আসতে পেরে আনন্দিত এবং যা কিছু ঘটছে আমি উপভোগ করছি।’ এদিকে ১৬ বছরের জিমন্যাস্ট ক্লডিয়া ফ্রাগাপানে শুক্রবার রাতে নৈপুণ্য দেখিয়ে ৮৪ বছরের মধ্যে কোন গেমসে ইংল্যান্ডের সেরা পারফর্মার হওয়ার কৃতিত্ব দেখান। চার ফুট ছয় ইঞ্চি (১.৩৭ মিটার) উচ্চতার ক্লডিয়া এদিন জিমন্যাস্টিক্সে নিজের চতুর্থ সোনা জেতেন। তিনি আগের জেতা ভল্ট, ইন্ডিভিজুয়াল অলঅ্যারাউন্ড ও দলগত ইভেন্টের সাথে সর্বশেষ ফ্লোর ইভেন্টটিতেও সোনা জেতেন। তার আগে কোন ইংলিশ মেয়ের সেরা নৈপুণ্যটি ছিল ১৯৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমসে জয়েচ কুপারের চারটি সোনা জয়।