ঈদ যাত্রা কি নির্বিঘ্ন হবে?

ধর্মীয় উত্সব ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরে ফিরছে মানুষ। সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে বলা হয়েছে, এবারে ঘরে ফিরতে অন্যান্য বছরের তুলনায় ঝামেলা পোহাতে হবে কম। এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ই-মেইলে প্রাপ্ত পাঠকের অভিমত প্রকাশিত হল আজ

ঈদের সময়ে যে কয়েক গুণ যাত্রী চলাচল বেড়ে যাবে, তাদের সামাল দিতে প্রয়োজন টেকসই ও কার্যকর পদক্ষেপ। বর্ধিত যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বাস, ট্রেন ও লঞ্চের সংখ্যা বাড়াতে হবে, তাই বলে ফিটনেসহীন যানবাহন সড়কে নামানো যাবে না। ঈদের সময় পরিবহন মালিকদের মধ্যে যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা দেখা যায়, তাও বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে যাত্রীকল্যাণ সমিতি যে ২০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে, সেটি আমলে নিলে সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা অসম্ভব নয় বলে আমি মনে করি। এবার ঈদের সময় কালবৈশাখীর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই লঞ্চ, স্টিমার ও ফেরি চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সাবধানতা প্রয়োজন। বর্ষার প্রকোপ কম থাকায় সড়কপথে ঝুঁকি কম থাকবে। তারপরও যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিলে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নই হবে বলা যায়।

মোছা. বিলকিছ আক্তার. হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর।

ঈদযাত্রাতে ভোগান্তি আগের চেয়ে কম হবে বলে আশা করছি ইনশাআল্লাহ। তবে রাস্তায় যদি সরকারের মনিটরিং টিম থাকে তাহলে সবার উপকার হবে। সেই সাথে বাসস্ট্যান্ড বা রেলওয়ে এলাকায় পুলিশের টহল বাড়াতে হবে। আগামীতে যাতে টিকিট ক্রয় করতে ভোগান্তি না হয় সেই ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হবে।

ফাহাদ ফারদীন

কাজীপাড়া,যশোর।

ঈদে বাড়ি ফেরা নিয়ে প্রতিবছরই থাকে নানা বিড়ম্বনা। আর এ দুর্ভোগের সবচেয়ে বড় কারণ হলো টিকিটের দুষ্প্রাপ্যতা। মানুষ আপ্রাণ চেষ্টা করে টিকিটের জন্য। কেউ পায় কেউ পায় না। যাত্রীদের বাস, রেল, লঞ্চ সর্বত্র চলছে টিকিট কালোবাজারির ত্রাস। টিকিটের জন্য সর্বত্র এখন যুদ্ধ। আর এই যুদ্ধের জন্য ভোর থেকে লাইন দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না সেই বহু কাঙ্ক্ষিত টিকিট। ব্যর্থ হয়েই অনেকে ফিরে আসছে।

সাদিয়া সুলতানা মাহি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

 স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাভার, ঢাকা।

সত্যি বলতে কী, বিগত কয়েক বছর ধরে আমাদের দেশের কোনো কোনো স্বনামধন্য বড় বড় মাননীয় মন্ত্রী-এমপিগণের মুখ নিসৃত ‘এবারের ঈদে ঘরে ফিরতে আর কারো কোনো কষ্ট হবে না, এবার সবাই নির্বিঘ্নে ঘরে ফিরতে পারবেন’ এরূপ অমীয় বাণী শুনতে শুনতে আমাদের অভাগা জনগণের কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। এখন আর এসব অমীয় বাণী শুনতে আমাদের যেমন মনেও চায় না, তেমনি মনে হয় এখন আমরা এগুলো শোনার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছি। এগুলো সব গদবাঁধা কথা। প্রতিবছরই ঈদ এলে এ ধরনের কথা দেশের জনসাধারণকে বোকা ভেবে আমাদের সুচতুর মাননীয় মন্ত্রী-এমপিগণ বলে থাকেন।

 মো. শহীদুর রহমান

কাকিনা, লালমনিরহাট। 

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আসে প্রতীক্ষিত ঈদ। ঈদের দিন মুসলমানদের মধ্যে তৈরি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ। ঈদের আনন্দ আপনজনের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে ইট-পাথরের শহর ছেড়ে গ্রামে ফেরে নগরবাসী। সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে বলা হচ্ছে যে, প্রতিবারের তুলনায় এবার ঘরে ফিরতে যাত্রীদের কম ঝামেলা পোহাতে হবে। তবে আমার কাছে মনে হয় না যে যাত্রা নির্বিঘ্নে হবে।  কারণ যদিও চার লেনের রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে, উত্তর বঙ্গ-দক্ষিণ বঙ্গ উভয় পাশেই রাস্তার মেরামতের কাজ চলছে। এবার ঈদে যে খুব নির্বিঘ্নে ঈদের যাত্রা হবে আমি তা আশা করছি না।

সাবরিনা সুলতানা

 ন্যাশনাল  কলেজ অব হোম ইকোনমিক্স

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভ্রমণ নির্বিঘ্ন হোক, এটা আমি আন্তরিকভাবেই চাই। ঈদুল ফিতর দোরগোড়ায়, রাজধানীর লাখ লাখ মানুষ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে ইতোমধ্যে যাত্রা শুরু করে দিয়েছেন। সবার যাত্রা নির্বিঘ্ন হোক, এটা আমাদের স্বাভাবিক প্রত্যাশা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, প্রতিবছর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ প্রত্যাশা পূরণ হয় না। এবারো এর ব্যতিক্রম হবে কি-না বলতে পারছি না। ঈদযাত্রার শুরু থেকেই মানুষ পদে পদে ভোগান্তির শিকার হন। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ, বাস-লঞ্চে বাড়তি ভাড়া আদায়, তীব্র যানজট- এসব ঝক্কি পেরিয়ে যারা যাত্রা শুরু করেন, তাদেরও পড়তে হয় নানা বিড়ম্বনায়। দেশের অধিকাংশ মহাসড়কের অবস্থাও নাজুক।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

এদেশে ঈদ মানেই এক মহাদুর্ভোগ! ঈদকে ঘিরে যে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির খবর গণমাধ্যমে উঠে আসে তা মোকাবিলার জন্য সরকারের আন্তরিক পদক্ষেপের বিকল্প নেই। মন্ত্রীর নির্দেশের পরও লঞ্চ, স্টিমার, ট্রেনের বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয় তাতো আমরা প্রত্যক্ষ করছি। জনদুর্ভোগ লাঘব করতে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

শান মোহাম্মদ রিজওয়ান

হকভিলা, মেরাদিয়া,

সিপাহীবাগ, ঢাকা-১২১৯

দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর আসে প্রতিক্ষিত পবিত্র ঈদুল ফিতর। মুসলমানরা ঈদের দিন এক আনন্দঘন পরিবেশে মিলিত হয় নামাজে। ধর্মীয় উত্সব ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরে  ফিরছে মানুষ। এবার ঘরে ফিরতে অন্যান্য বছরের তুলনায় ঝামেলা পোহাতে হবে অনেক কম। এবারের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন হবে বলে আমাদের সবার প্রত্যাশা।

আল মায়ামী

কবি ও সাংবাদিক, ফুলবাড়িয়া, সাভার

যারা সাধারণত বাড়িতে ঈদ করেন তাদের অনেকেরই একটি লক্ষ্য থাকে যে কোনো মূল্যে বাড়ি গিয়ে প্রিয়জনের হাসিমুখ দেখা। কিছু ক্ষেত্রে এই খুশির যাত্রা বিষাদে পরিণত হয়।  যা কারোরই কাম্য নয়। যাত্রীরা যদি নিজের জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে ঝুঁকি হয়ে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে না উঠেন এবং অতিরিক্ত ভিড়ের সময় রওনা না দিয়ে কিছুটা দেরি করে হলেও ঠান্ডা মাথায় ধীরে সুস্থভাবে আল্লাহর নাম স্মরণ করে যাত্রা শুরু করেন, তবে অবশ্যই ঈদ যাত্রা নিবিঘ্ন ও আনন্দময় হতে পারে। সেই সাথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও তত্পরতার পাশাপাশি চালকরা বেপরোয়া গতি পরিহার করে গাড়ি চালালে প্রাণহানি ঘটবে না।

মোহাম্মদ ইসলাম

পুরানা পল্টন, ঢাকা

আগামী সপ্তাহে পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রতিবারের ন্যায় এবারও বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ ঈদ উত্সব পালন করতে নাড়ীর টানে বাড়িতে ফিরবেন। ঈদ যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে আমাদের সব রকমের শক্তি প্রয়োগ করতে হবে। যারা ঈদ যাত্রা বিঘ্ন ঘটাবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার বিকল্প নেই। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর এর ঘরে ফেরার ক্ষেত্রে এবার বিশেষ  উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। বিআরটিসি এর মতে প্রতিদিন রাজধানী থেকে দূর পাল্লার বাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ রাজধানী ছেড়ে যায়। এই সংখ্যা ঈদের আগে ও পরে মিলে প্রায় ৪ গুণ বেড়ে যায়।  ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সড়ক মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা অনেক বেশি জরুরি।

মাসুম আহমেদ

শিকড় সন্ধানে, যাত্রাবাড়ী ঢাকা

ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অনেকগুলো বিষয়ের প্রতি নজরদারী রাখতে হবে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অদক্ষ চালক, ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী তোলা, ট্রাক ও অন্য পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, যা ঠেকাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সবসময় তত্পর থাকতে হবে।

বজলুল

এনায়েতগঞ্জ লেন পিলখানা, ঢাকা

প্রতি ঈদে ঘরমুখো মানুষের মনে থাকে নানা শঙ্কা। প্রিয়জনের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে প্রতিবারই মানুষকে পোহাতে হয় নানা ভোগান্তি। টিকেট পাওয়া থেকে শুরু করে পথের যানজট। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকার গ্রহণ করেছে নানামুখী উদ্যোগ। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রধানমন্ত্রী উদ্বাধন করেছেন বেশ কয়েকটি প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে চালু হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় মেঘনা ও দ্বিতীয় গোমতী সেতু। আমরা আশাবাদী ঘরমুখো মানুষ কোনো সমস্যায় পড়বে না।

সুলতানা জামান

মানিকনগর ঢাকা

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর যাত্রা এবার সবার জন্যই নিরাপদ হবে বলে মনে করছি ইনশাল্লাহ। তবে এ বিষয়ে সরকার আর আমাদের জনসাধারণকে বিশেষ সচেতনতা ধৈর্য্য ও সহনশীলতার মনোভাব পোষণ করতে হবে। তাছাড়া দেশের সকল রাস্তা ঘাট ও যানবাহনের উন্নয়নের প্রতি বিশেষ নজরদারি রাখার জন্য সরকারি প্রশাসনকে আরো জোরদার ভূমিকা পালন করতে হবে।

 আলহাজ মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম চৌ. (হিফজু)

উপদেষ্টা নজরুল একাডেমি

হাউজিং স্টেট রাজশাহী ৬২০২

সারাদেশে সড়ক বিভাগের কাজ অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে আছে। সড়কের সংস্কার কাজও চলছে দ্রুত। সেই সাথে রেলওয়েতে চলছে বাড়তি রেলসংযোগ। স্বাভাবিকভাবেই দেখা যাচ্ছে এ বছর সড়ক বিভাগের অনেক উন্নতি হয়েছে। আর প্রযুক্তির ব্যবহারে সময়ও কম লাগছে। সড়ক বিভাগে এ বছরে দ্রুত এগিয়ে গেছে। তাই তাদের আশা যুক্তিসংগত।

শাহ মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন হিরো

কালিহাতি, টাঙ্গাইল

ধর্মীয় উত্সব ঈদুল ফিতর আসন্ন। কি আনন্দ! ঈদে বাড়ি যাচ্ছি। চাকরির কর্মরত অবস্থায় জীবনে হরহামেশা ছুটি মিললেও সেরকম নয়। বাড়ি যাওয়ার ফুসরত খুব একটা হয় না। কিন্তু ঈদের সময় একদিকে যেমন দীর্ঘ ছুটি মেলে, তেমনি পরিবারের সাথে ঈদ করারও আলাদা একটা টান থাকে। সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে বলা হয়েছে, এবার ঘরে ফিরতে অন্যান্য বছরের তুলনায় ঝামেলা পোহাতে হবে অনেক কম।

সালমা আফরোজ

ফার্মগেট, ঢাকা।

প্রতিবছরই ঈদে বাড়ি ফেরা নিয়ে একই জাতীয় দুর্ভোগের চিত্র ফুটে উঠে ঘরমুখো মানুষের। ঈদ এলেই, বাস, ট্রেন, লঞ্চের টিকিট যেন সোনার হরিণ হয়ে যায়। একটি স্বাধীন দেশে তা আমাদের কাম্য নয়। এ অবস্থার অবসানই কাম্য। তবে এবার ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন হবে এমনটাই আমাদের আশা।

মোঃ খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আরাপপুর, ঝিনাইদহ

ঈদ যাত্রা অবশ্যই নির্বিঘ্নে হবে যদি লঞ্চ, বাস মালিক ও গাড়ির চালকগণ আন্তরিক হয়। নৌপথ ও সড়কের নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলেন। অন্যদিকে গাড়ির ফিটনেস, ড্রাইভিং লাইসেন্স সঠিক থাকে। এছাড়া দায়িত্বরত ব্যক্তিবর্গ যদি কোনো অনিয়ম বা দায়িত্ব অবহেলা না করেন। দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ ও ট্রেনের টিকিটের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, টিকিটের কালোবাজারিসহ অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই এবং লঞ্চ, বাসের রেষারেষি করে চালানো বন্ধ করা এবং সময়মতো টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যাওয়ার সুব্যবস্থা করলেই শিকড়ের কাছে মানুষ শক্তির সাথে ঘরে ফিরবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মোহাম্মদ আবুল আজাদ

সর্দারপাড়া, মুন্সীগঞ্জ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার-এ আশান্বিত ঘরমুখো মানুষ এখন। ঈদ যাত্রা এবার নির্বিঘ্ন হবে এ কথা সত্য। সড়কে চলাচলকারী পরিবহনগুলোর মাঝে শৃঙ্খলা থাকলে কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। ঈদ হোক সবার আনন্দের ও খুশীর এই প্রত্যাশা।

মেসবাহ সেলিম

ইব্রাহিমপুর, ঢাকা ক্যান্টঃ, ঢাকা।