বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে নতুন কমিশন প্রসঙ্গে
প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০১৪, ২২:০৮
বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগে নতুন কমিশন গঠন করে পিএসসির আদলে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এখন আমরা যারা (এনটিআরসিএ) নিবন্ধন পরীক্ষা পাস করেছি কিংবা এবারের পরীক্ষায় পাস করবো তাদের কী হবে? এক্ষেত্রে আমাদের যাদের বয়স ৩৫-এর বেশি হয়েছে অথচ যারা শিক্ষক নিবন্ধিত। শিক্ষার মান উন্নয়নে বিশেষ করে মেধা সম্পন্ন শিক্ষক নির্বাচনে নিবন্ধন পরীক্ষা অতুলনীয় পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত। ২০০৫ সাল থেকে নেওয়া হচ্ছে এ পরীক্ষা। জানা মতে, এ পর্যন্ত এ পরীক্ষায় পাসের হার সর্বোচ্চ ১৫% থেকে ২০% মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। তাই কমিশন গঠন হলেও যেন এ পরীক্ষাটা বন্ধ না হয়। আরেকটি বিষয় কর্তৃপক্ষের দেখা উচিত সেটি হলো বয়স। একজন শিক্ষকের বয়স বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক। জ্ঞান আহরণে বয়সের বিকল্প নেই। একজন প্রার্থীর ভর্তিসহ মাস্টার্স পাস করতে বয়স প্রায় ২৫/২৬ হয়ে যায়। এরপর আবার অভিজ্ঞতাসহ বিভিন্ন ধরনের কালচারের মাধ্যমে জ্ঞান সংগ্রহ করতে হয়। পরবর্তী সময়গুলো প্রস্তুতি নিতেই শেষ হয়ে যায় অর্থাত্ নির্ধারিত বয়স ৩০ পার হয়ে যায়। এক্ষেত্রে বয়স বর্ধিত শিক্ষিত প্রার্থীরা শুধুমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধানশিক্ষক ও বেসরকারি স্কুল-কলেজের চাকরি ক্ষেত্রে দরখাস্ত করতে পারে। সুতরাং বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগে যে কোনো নিয়োগ কমিশন গঠন করা হলেও চাকরি প্রার্থীদের বয়স যেন ৪০ পর্যন্ত রাখা হয় এবং নিবন্ধন পাস করা প্রার্থীরা যাতে অগ্রাধিকার পায়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।
আবদুর রহমান,
জেড হাউজ, ৬/৬, ব্লক-এফ, লালমাটিয়া,
মোহাম্মদপুর, ঢাকা ১২০৭