জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা : বাংলা প্রথমপত্র
মো. সুজাউদ দৌলা প্রভাষক রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা
প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০১৪, ২০:২১
জাগো তবে অরণ্য কন্যারা
প্রশ্ন: ১। নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
রাজিয়া সুলতানা এখন এক পরিচিত নারী। পরিবেশ রক্ষায় তার নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ঢাকা ও তার চারপাশের জলাধার, নদীসমূহ সংস্কার ও রক্ষার যে অকুতোভয় মানসিকতা দেখিয়েছেন তা এ দেশের নারী পুরুষ সকলের জন্য প্রেরণাদায়ী। তাঁর কার্যকলাপ প্রমাণ করে মানব কল্যাণে নারীর ভূমিকা মোটেই কম নয়।
(ঘ) ‘মানব কল্যাণে নারীর ভূমিকা মোটেই কম নয়।’ — ‘নারী’ কবিতার আলোকে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর :“মানব কল্যাণে নারীর ভূমিকা মোটেই কম নয়” — উক্তিটি ‘নারী’ কবিতার আলোকে যৌক্তিক প্রসঙ্গ।
নারী ও পুরুষ সৃষ্টিগতভাবেই পরস্পরের পরিপূরক। নারী বা পুরুষ এ দুই ছাড়া মানব জাতির বিকাশ সম্ভব নয়। কিন্তু এটাই সামগ্রিক পরিচয় নয়। নারী পুরুষের সামগ্রিক পরিচয় হলো মানুষ। কারণ তারা সমান মেধাবী, বুদ্ধিসম্পন্ন ও কর্মঠ।
উদ্দীপকে রাজিয়া সুলতানা নামক কৃতি নারীর অবদান প্রকাশ পেয়েছে। পরিবেশবাদী হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন। ‘নারী’ কবিতায়ও কবি পুরুষ ও নারীকে সমান সম্মান দেখিয়েছেন। কারণ নারীরা নির্যাতিত। তাদেরকে প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়া হয় না। নারী বলে অবজ্ঞা করা হয়।
আমরা আধুনিক বিশ্বের মানুষ। আমাদের পরিবেশ, চিন্তা, পোশাক, খাদ্যাভ্যাস — সব কিছুই উন্নত। এই উন্নতি একদিনে বা এককভাবে সম্পন্ন হয়নি। যুগ যুগ ধরে নারী পুরুষের যুগল প্রচেষ্টায় হয়েছে। উদ্দীপকের রাজিয়া সুলতানা তার বড় প্রমাণ। সুতরাং বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত “মানব কল্যাণে নারীর ভূমিকা মোটেই কম নয়” — উক্তিটি যথার্থ ও সার্থক হয়েছে।