শৈলকুপায় আওয়ামী লীগের পৃথক সংঘর্ষে আহত ৪০

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পর পর তিনদিন আওয়ামী লীগ নেতাদের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পাঁচটি গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পৃথক এসব ঘটনায় ৪০ জন আহত হয়েছে। হামলা-ভাংচুরের শিকার হয় ৩৫টি বাড়ি । সংঘর্ষ-ভাংচুর থামাতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের কোন তত্পরতা দেখা যাচ্ছে না। জানা গেছে, আবইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আমজাদ হোসেন এবং ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বর ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি রঞ্জু হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা চলে আসছিল। এর জের ধরে গত সোমবার বিকাল ও গতকাল মঙ্গলবার সকালে মিন গ্রামের তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে। ২০টি বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর হয়েছে। পুলিশ এই গ্রাম থেকে সংঘর্ষে ব্যবহূত ঢাল সড়কি উদ্ধার করেছে। এর আগে গত সোমবার বরিয়া গ্রামে আওয়ামী লীগের মহব্বত মোল্লা ও বাচ্চু মোল্লার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। অন্যদিকে রবিবার বগুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও চাঁন মিয়া সমর্থকদের মধ্যে বগুড়া, রত্নাট ও আলফাপুর গ্রামজুড়ে সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষকালে ৩ পুলিশসহ ২০ জন আহত হয়। এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ হিমশিম খাচ্ছে। দিনরাত গ্রামে গ্রামে পুলিশ মোতায়েন রাখতে হচ্ছে।