মহিলা ভোটার কমের কারণ খুঁজুন

চলমান ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে মহিলা ভোটার কম হওয়ার কারণ খুঁজতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার ইসি সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হাফিজ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে দ্বিতীয় ধাপে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ চলছে। ইতিমধ্যে প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। এতে ভোটার হিসাবে তালিকায় মহিলাদের অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা আশঙ্কাজনকহারে হ্রাস পেয়েছে। ‘এর কারণ হিসেবে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা বলেছেন, মহিলারা পর্দানশীন হওয়ায় ভোটার হতে বাইরে আসতে চান না। তাই এবার মহিলাদের সাড়া কম।’ তবে উপজেলা কর্মকর্তাদের এই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে আবু হাফিজ বলেন, কেননা, এর আগে মহিলারা ভোটার হতে বেশ আগ্রহ দেখিয়েছেন। তাই দেশের সব ডিসি এবং ইউএনওদের তদন্ত করে মহিলা ভোটার হ্রাস পাওয়ার কারণ সম্পর্কে জানাতে বলা হয়েছে। গত ১৫ মে সারাদেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের হালনাগাদ কার্যক্রমে ৭ লাখ ৪৬ হাজার ৭৪৮ জনকে পুরুষ ভোটার হিসাবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যার শতকরা হার ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ। আর মহিলাদের মধ্যে ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৮৭২ জনকে ভোটার করা হয়েছে। যার শতকরা হার ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আবু হাফিজ বলেন, আগামী ১০ আগস্ট ভোটার তালিকা হালনাগাদ সমন্বয় কমিটির বৈঠক রয়েছে। সেখানে আলোচনা করে মহিলা ভোটার হ্রাসের কারণ ও ভোটার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে সার্বিক তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে। তবে ফরম পূরণ অপেক্ষা ভোটার সংখ্যা বেশি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কাজেই ওই খবরটি ঠিক নয়।