চাল বাজারজাতে পাটের বস্তা বাধ্যতামূলক

চাল বাজারজাতকরণের উদ্দেশে পাটের বস্তার বাধ্যতামূলক ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইনগত বাধা দূর হয়েছে। এ সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপনের উপর হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন মঙ্গলবার হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, আইনটি জনস্বার্থে করা হয়েছিল। পাটজাত পণ্য পরিবেশবান্ধব বলে পণ্যের মোড়কে এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত হওয়ায় পাটের বস্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইনি বাধা দূর হলো। ২০১৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইনের ৭ এর খ ধারা অনুসারে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বেসরকারি মালিকানাধীন রাইস মিল, চাতাল মালিক ও চালের দোকানদারদের ব্যবসার উদ্দেশে বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে শতভাগ পাটের বস্তা ব্যবহার করার কথা বলা হয়। একইসঙ্গে বেসরকারি মালিকানাধীন রাইস মিল, চাতাল মালিক ও চালের দোকানদারদের কাছে স্টকে যেসব সাদা পলিথিনের ব্যাগ রয়েছে, সেগুলোর ব্যবহার ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে বলা হয়। সরকারি প্রজ্ঞাপনের এই অংশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন বাংলাদেশে অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতির আহ্বায়ক টি এম লায়েক আলীসহ কয়েকজন। এই আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট প্রজ্ঞাপনের কার্যকারিতা স্থগিতের পাশাপাশি রুল জারি করে। এই অন্তর্বর্তিকালীন আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এডভোকেট মুরাদ রেজা ও রিটকারী পক্ষে এডভোকেট শম রেজাউল করিম শুনানি করেন। শুনানি শেষে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে দেয়।