চট্টগ্রামে অবৈধভাবে ট্রেনের টিকিট বিক্রিতে জড়িত ৪৮

ট্রেনের টিকেট কালোবাজারির সাথে জড়িত বুকিং ক্লার্ক ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্যসহ ৪৮ জনের একটি তালিকা তৈরি করেছে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এদের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ জন ইতিমধ্যে পুলিশের হাতে আটক হয়ে কারাগারে রয়েছে। পুলিশ জানায়, গত বছর রেল মন্ত্রণালয় থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির বিষয়ে তদন্তের জন্য নগর গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে গত সাত মাস ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং স্টেশনে নজরদারি বাড়িয়ে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, রেলওয়ের যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম তালিকায় এসেছে, তারাই মূলত টিকিট সরবরাহকারী। তারা তালিকাভুক্ত অন্যদের কালোবাজারে টিকিট বিক্রির জন্য দেন। টিকিট বিক্রির টাকা থেকে তারাও ভাগ পান। কয়েকটি সিন্ডিকেটে ভাগ হয়ে তারা টিকেট কালোবাজারি করছেন। সিএমপি’র উপ-কমিশনার (গোয়েন্দা) কুসুম দেওয়ান গতকাল বুধবার তালিকা তৈরির কথা স্বীকার করে ইত্তেফাককে বলেন, ঈদসহ বিভিন্ন উত্সবের সময় ট্রেনের টিকিটের চাহিদা বেশি থাকে। এসময় কালোবাজারিদের তত্পরতাও বাড়ে। এবছর এ সমস্যাটির প্রতি পুলিশের কঠোর নজরদারি থাকায় বেশ কয়েকজন কালোবাজারিকে আটক করা সম্ভব হয়। টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে রেলের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার জড়িত থাকার প্রমাণ পুলিশের কাছে রয়েছে জানিয়ে কুসুম দেওয়ান বলেন, এসব কর্মকর্তার ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রয়োজনে তাদের গ্রেফতার করা হবে।