চিরজীবী তিনি, জনক শেখ মুজিবুর রহমান

আসছেই আবারও সেই অভিশপ্ত ১৫ই আগস্ট। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সেই দিবসে হত্যা করা হয়েছিল। বাংলাদেশে কোটি বাঙালি আমরা পালন করছি শোকাহত মাস আগস্ট। আজকের এই অবকাশে বিশেষ করে গুরুত্ব আরোপ করছি আমাদের সেই দিবস উদযাপন আনুষ্ঠানিকতা মাত্র নয়। গভীরে রয়েছে সন্ধানের শেখর¬-উত্স। প্রশ্ন জাগে কেন সেই মর্মান্তিক হত্যা এবং দুশমন কারা আমাদের জনক হত্যার উদযোগী হয়েছিল? সন ১৯৭৫, সত্ সচেতন মাত্রই অবগত কারা সেই মহাপাপী জোট। তারপরে থেকে এতগুলো বছর কেটে গেছে এবং আজকের এই দিনেও সেই তাদেরকেই নানা বেশে নানা উছিলায় এখনও বাঙালি সত্যকে বিকৃত করতে উদযোগী। অবশ্য করেই গুরুত্ব আরোপ করছি, কেবলই যে মানুষ শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল মোটে তা নয়, ষড়যন্ত্র তাদের প্রতীকী শেখ মুজিব মাধ্যমে বাঙালিত্বকে উত্খাতে, নিশ্চিহ্ন করবারই তাদের তাবত্ যতসব আয়োজন। বিশেষ করে শোকের মাস আগস্টে এবং সামনেই যে, ‘অভিশপ্ত ১৫ই আগস্ট’ বিশ্বাস ধারণ করেই আমরা তো চিনি তাদের। তারা তো তাবত্ মাত্রিকতায় পাকিস্তানিত্বের দালাল, কুচক্রি। বর্ণিত এই প্রেক্ষিতে বারংবার করেই চিহ্নিত করছি বাঙালির জন্য শোকাবহ মাস আগস্টে এবং অবশ্য করেই সেই দিবসটি ১৫ই আগস্ট। সবটা মিলিয়ে কথা যে, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে নিধন করা হয়েছিল- তবে ঈমানে ধারণ করি তাঁর তো কদাপি মৃত্যু নাই, অবসান নাই। আসুন, আমরা বহমান ইতিহাসে পাঠ নেই। বিশ্বাস-অনুধাবন দিয়ে প্রতীকী সত্যের মৃত্যু নাই, ইতিহাসের মৃত্যু নাই। বটে অভিশাপ্ত ১৫ আগস্ট, তবে ইতিহাসেরই আধারে শাশ্বত তিনি, অমর তিনি। আবারও বলি, আপন বিশ্বাসের কথাটি— ১৫ই আগস্ট অভিশপ্ত বটে তবে সব ছাপিয়েই চিরজীবী তিনি, জনক শেখ মুজিবুর রহমান। বারংবার করেই ঐ বিশেষ বিশ্বাসের আবৃত্তি করি- “যতদিন রবে পদ্মা- মেঘনা গৌরী মেঘনা বহমান ততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান” [লেখক: শিক্ষাবিদ]