শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের আসন হ্রাস করায় যাত্রী দুর্ভোগ চরমে

সিলেট-আখাউড়া রেলওয়ে বিভাগের শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন হতে সকল আন্তঃনগর ট্রেনের বরাদ্দকৃত আসনের অর্ধেকেরও বেশি হ্রাস করা হয়েছে। বগী স্বল্পতার কারণ দেখিয়ে আসনের বরাদ্দ কমাবার ফলে ঈদে গোটা মৌলভীবাজার জেলার মানুষের রেল ভ্রমণে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছেন। রেলওয়ে সূত্র জানায়, বৃহত্তর সিলেটের সাথে রেলপথে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগকারী ঢাকা-সিলেট আন্তঃনগর ‘কালনী’ , ‘জয়ন্তিকা’, ‘পারাবত, ও ‘উপবন’ এবং চট্টগ্রাম-সিলেট ‘পাহাড়িকা’, ও ‘উদয়ন’ এই ৬টি আন্তঃনগর ট্রেনের মধ্যে একমাত্র উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে স্থানীয় চাহিদানুযায়ী আসন বরাদ্দ রয়েছে। বাকি ট্রেনগুলোর চাহিদার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত আসনের বরাদ্দ বাতিল করে দেয়া হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা কেন্দ্র ও চা-শিল্প শহর শ্রীমঙ্গল হচ্ছে মৌলভীবাজার জেলার রেল যোগাযোগের প্রবেশপথ। জানা যায়, যাত্রী পছন্দের ঢাকা-সিলেট ৭৭৩/৭৭৪ আপ ও ডাউন ‘কালনী’ এক্সপ্রেস ট্রেনে শ্রীমঙ্গলের জন্য বরাদ্দকৃত চেয়ারকোচ ও এসি মিলিয়ে ১শ’ ৫টি আসনের মধ্যে বর্তমানে শুধু ১৭টি চেয়ারকোচ আসন বরাদ্দ রয়েছে। বগি স্বল্পতার অজুহাতে ঢাকা-সিলেট পারাবত ট্রেনের ৩০টা চেয়ার কোচের বরাদ্দ গত ২৩ জুলাই থেকে বাতিল করা হয়েছে। একইভাবে ঢাকা-সিলেট উপবন এক্সপ্রেসের সিট বরাদ্দের অর্ধেক কমিয়ে ফেলা হয়েছে। অপরদিকে সবচেয়ে করুণ অবস্থা সিলেট-চট্টগ্রাম ৭২০ ডাউন পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের। এ ট্রেনে শ্রীমঙ্গল থেকে কুমিল্লা, লাকসাম ও ফেনী স্টেশনের জন্য কোনো শ্রেণীতেই কোনো আসন বরাদ্দ নেই। শুধু চট্টগ্রামের জন্য ২টি প্রথম শ্রেণী, ৫টি এসি ও ২টি শোভন সিট এবং লাঙ্গলকোট স্টেশনের জন্য ২টি শোভন সিট বরাদ্দ রয়েছে।