এ গি য়ে যা ও য়া
ছাড়বো না কিছুতেই
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০১৪, ১৯:৫৮
প্রেসক্লাব, গুলিস্থান, পল্টন, কখনো যাত্রাবাড়ি ফ্লাই ওভার দিয়ে সাবধানে ছুটে চলেন রেহানা আক্তারের স্কুটি। হাসি মুখে প্রিয়জনের অভিনন্দন গ্রহণ করেন রেহানা। আর খুব প্রিয়দের স্কুটির পিছনে বসিয়ে নেন কখনো কখনো। রেহানা বলেন, অনেক ভালো আছি আপা। কাজ করার মধ্যে, নিজের ইনকাম করার মধ্যে কত আনন্দ তা যে না করে সে বোঝে না। অনলাইন নিউজ পোর্টালের আলোকচিত্রী রেহানা সমপ্রতি টাকা জমিয়ে স্কুটি কিনেছেন। কাজেও এগিয়েছেন কয়েকধাপ। শুরুতে রেহানার এমন হাসিমুখ দেখা যেত না। কাজ তার বরাবরই ক্যামেরার সাথে। বড় ভাই ফজিত শেখই তাকে ক্যামেরার অ, আ শিখিয়ে দেন। তারপর বিয়ে বাড়ি, মডেলিংয়ের ছবি তোলার কাজও সে পাইয়ে দেন। কিন্তু বিয়ে হওয়ার পর রেহানা কিছু দিন কাজ বন্ধ রাখেন। সন্তান জন্ম, স্বামীর প্রবাস জীবন সবই রেহানাকে উদ্বিগ্ন করে রাখতো। বড় ভাইই আবার বোনকে ক্যামেরা হাতে নিতে বলেন। সেটা ২০১১ সালের কথা। টাকা ছাড়াই অনেক কাজ করেছেন রেহানা। তবে এখন আর সে দিন নাই। যারা ক্যামেরা হাতে রেহানাকে দেখে বলেছিল, এই কাজ মেয়েদের জন্য নয়, তারাই আজ আবার রেহানাকে বলে, স্কুটি চালানো মেয়েদের কাজ না। তবে রেহানা আগের মতোই দৃঢ় প্রতিজ্ঞ— ক্যামেরা আর স্কুটি কিছুই ছাড়বো না।