উপকূলের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ভরসা কোডেকের শিখন স্কুল

কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় দ্বীপ হিসাবে পরিচিত মহেশখালী উপজেলার প্রায় ৫ হাজার হতদরিদ্র শিশু শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষার সুব্যবস্থা করে দিচ্ছে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) । ইতিমধ্যে শিখন স্কুলের অধীনে ২২টি প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্রের ২৪২ জন কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, ১৩৫টি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্রে ১৩৫ শিক্ষক ও ১৪৮৫ জন এসএমসি কমিটির সদস্য এবং ১২ জন লার্নিং ফ্যাসিলেটেটর নিয়ে বিগত ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু হয়। তাদের হাত ধরে আজ উপকূলের হতদরিদ্র ও ঝরে পড়া শিশু শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে উঠছে। মহেশখালী উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বেশ কিছু সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকার পরও একাধিক হতদরিদ্র, পিছিয়ে পড়া, পাহাড়িয়া শিশুরা তাদের শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। এখানে কোডেকের শিখন স্কুল প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে ওই শিশুদের জীবনে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। আলাপকালে মহেশখালী ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর অফিসার মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও সেভ দ্যা চিল্ড্রেন এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং সরকারি এনসিটিবি বই ব্যবহারের মাধ্যমে গত ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি হতে পিছিয়ে পড়া ও ঝরে পড়া বিচ্ছিন্ন এলাকা, দুর্গম পাহাড়ী ও বেড়ি বাঁধ সংলগ্ন এলাকার শিশুদের নিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করে । এখানকার ১৫৭টি স্কুল উপজেলায় সরকারের পাশাপাশি এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করে শিশুদের শিখন শিখানো প্রক্রিয়াকে আরো উন্নত ও গতিশীল এবং মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে কোডেক অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। মহেশখালী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: শহিদুল্লাহ বলেন, দ্বীপ উপজেলা হিসাবে কক্সবাজারের এ উপজেলাটিতে গ্রামগঞ্জে ও পাহাড় ও নদীর পাড়ে বসবাসরতদের শিক্ষার হার নিশ্চিত করে কোডেক অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।