সৈয়দপুরে ১৪৭টি প্রকল্পের টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ
সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০১৪, ২১:০৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে টিআর কর্মসূচির ১৪৭ প্রকল্পের অর্থ ফেরত চেয়ে নোটিস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। নোটিস প্রদানের একমাস অতিবাহিত হলেও প্রকল্প চেয়ারম্যানরা তাদের ব্যয়িত অর্থের কোন বিল ভাউচার দিতে পারেননি। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে প্রাক্তন সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) মারুফ সাকলানের বিশেষ খাতে (দ্বিতীয় পর্যায়) সৈয়দপুর উপজেলায় ১৪৭টি প্রকল্পে ৪৬ মেট্রিক টন গম এবং ৪১ লাখ টাকা প্রদান করা হয়।
টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ দিয়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, সংগঠনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রকল্প সভাপতির বরাবরে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। কিন্তু ১৪৭টি প্রকল্পের কাজ শেষে বিল ভাউচার জমা দেয়ার কথা থাকলেও গেল ২ বছরেও সংশ্লি¬ষ্ট অফিসে বিল ভাউচার জমা করেননি প্রকল্প সভাপতিরা।
যার কারণে প্রকল্প চেয়ারম্যানদের গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ বা সংস্কার হিসাব নিয়ে সংশ্লি¬ষ্ট অফিসে কোন কাগজপত্র না আসায় গত ২ জুন সৈয়দপুর ইউএনও ১৪৭ প্রকল্প চেয়ারম্যানকে নোটিস প্রদান করেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে খাদ্যশস্য ও নগদ অর্থ নেয়ার পর অর্থবছর শেষ হলেও কোন ব্যয়ের হিসাব জমা না হওয়ায় প্রকল্প কাজের অর্থ কিংবা খাদ্যশস্য অব্যয়িত ধরা হয়েছে। তাই প্রকল্প চেয়ারম্যানদের খাদ্যশস্য কিংবা অর্থের দ্বিগুণ মূল্য সরকারি কোষাগারে জমা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শফিকুল ইসলাম জানান, আমার যোগদানের আগে প্রকল্পগুলোতে বরাদ্দ দেয়া হয়। আমি আসার পর কোন মাস্টাররোল কিংবা বিল ভাউচারের কাগজপত্র হাতে পায়নি।
১০টি নোটিস ওইসব প্রকল্পের চেয়ারম্যানের বাসস্থানের হদিস না পেয়ে ফেরত এসেছে। সৈয়দপুর ইউএনও শফিকুল ইসলাম জানান, প্রকল্পগুলোর বিল ভাউচার দীর্ঘদিনেও জমা না দেয়ায় তা অব্যয়িত এবং আত্মসাত্ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই সরকারি নির্দেশনা কেউ না মানলে তার বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা করা হবে।