চালু হলো বাংলা ওসিআর!

বাংলা ভাষায় লিখিত সব প্রকার কনটেন্ট বা বই কিংবা নথি ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ করতে বা খুঁজে পেতে এবং সম্পাদনযোগ্য করতে টিম ইঞ্জিন উদ্ভাবন করেছে বাংলাভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ অপটিক্যাল। বাংলা ওসিআর-এর মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন-পুরাতন বই, নথি ডিজিটালাইজড করা যাবে। এতে এসব বই ও নথি একেবারে হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। এটি ব্যবহারে বই, নথি কিংবা কাগজের স্তূপ থেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে কোনো তথ্য খুঁজে বের করতে হবে না। ওয়েবে বা কম্পিউটারে সার্চ দিলেই সব তথ্য পাওয়া যাবে। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে আগের সব ফাইল ডিজিটাল ফরম্যাটে ওয়েভ/সার্ভার কিংবা কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা যাবে। এছাড়া অনলাইন লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠায় বাংলা ওসিআর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। ই-গভর্নেন্স ও কাহজ-ফাইলবিহীন যে অফিসের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে সেখানেও এটি ভূমিকা রাখতে পারবে। পুঁথি মাত্র ৪ সেকেন্ডেই বইয়ের একটি পাতাকে ডিজিটালাইজ এবং এডুটেবল করতে সক্ষম। মূল টেক্সটের শতকরা ৯৫ ভাগেরও বেশি শব্দ নির্ভুলভাবে প দর্শন করতে সক্ষম। এটি এখন পর্যন্ত একশোরও বেশি বাংলা ফন্ট রিড করতে পারে। তবে এই সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকবে। এই সফটওয়ারটি সংগ্রহ করে পিসিতে ইন্সটল করার পর রান করে ব্যবহার করা যাবে। অনলাইনে সীমিত পরিসরে ওসিআর করতে চাইলে পুঁথির ওয়েবসাইটে টেক্সট আপলোড করে বিনামূল্যে ওসিআর করা যাবে। টিম ইঞ্জিনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামিরা জুবেরী হিমিকা বলেন, আমাদের অনলাইন লাইব্রেরি ‘অ্যানসেস্টর’ তৈরি করতে গিয়ে বাংলা ওসিআর এর প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাই প্রাথমিকভাবে এই প্রয়োজন মেটাতে আমরা বাংলা ওসিআর তৈরির সিদ্ধান্ত নেই। এরপর তৈরি করি এটি। এই ওসিআর পৃথিবীর সমস্ত বাংলা ভাষাভাষী এবং বাংলা ভাষায় আগ্রহী মানুষের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থসংস্থানের মাধ্যমে তারা এই সফটওয়ারটি তৈরি করেছেন বলে জানান সামিরা জুবেরী হিমিকা। এটি আগামী ১৫ই আগস্ট বাজারে আনার পরিকল্পনা করছেন। তবে তার আগে আরও কিছু পরীক্ষা করে দেখতে চান এটি কতটা কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য।