জাতির পিতা শেখ মুজিব

লেখক পরিচিতি :বেবী মওদুদ লেখক নাম। প্রকৃত নাম আফরোজা নাহার মাহফুজা খাতুন। জন্ম: ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ২৩শে জুন, ভারতের কলকাতা শহরে। বাবার নাম আবদুল মওদুদ, মায়ের নাম হেদায়েতুননেসা। কৈশোর থেকেই লেখালেখির চর্চা। শুরুতে ছড়া-কবিতা লেখা। পড়াশোনা করেন রাওয়ালপিণ্ডির চাকলালা হাইস্কুল, রাওয়ালপিণ্ডি মহিলা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন দুই সন্তান অভি ও দীপ্তর জননী। সারা জীবনই তিনি লেখালেখি, সাংবাদিকতা ও সাংগঠনিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। নবম জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন তিনি। সাংবাদিকতা করেছেন সাপ্তাহিক ললনা, দৈনিক ইত্তেফাক, সংবাদ, বিবিসি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, সাপ্তাহিক বিচিত্রা ও বিডিনিউজ টোয়েন্টি ফোর ডটকমে। ছোটদের জন্য প্রকাশিত বইগুলো হলো: দীপ্তর জন্য ভালোবাসা, শেখ মুজিবের ছেলেবেলা, টুনুর হারিয়ে যাওয়া, শান্তর আনন্দ, এক যে ছিলো আনু, মুক্তিযোদ্ধা মানিক, আবু আর বাবু, শষি, পুষি, টুষি। বড়োদের জন্য উল্লেখযোগ্য বইগুলো হলো: গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা, বাঙালির শুদ্ধনাম শেখ মুজিব, বেগম রোকেয়া পাঠ, আমার স্বপ্ন আমার নাম অমর তোমার নাম, মহিয়সী নারী বেগম ফজিলাতুন নেসা, জনতার জয় প্রভৃতি। বেবী মওদুদ গত ২৬শে জুলাই ২০১৪ তারিখে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর শিশুতোষ রচনা ছোটদের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। একদিন এক ছোট্ট খোকা বললো মায়ের কাছে মাগো আমি বড় হবো স্বপ্ন আমার আছে। দেশটা জুড়ে দুঃখ শুধু সুখ যে ঘরে নাই কৃষক কাঁদে শ্রমিক কাঁদে শান্তি কোথায় পাই? বিদেশি সব তাড়িয়ে দেবো দেশটা স্বাধীন করে মাঠে মাঠে ফসল হবে খাবো পেটটা ভরে। লেখাপড়া শিখে আমি অনেক বড় হবো দেশের জন্য দশের জন্য ন্যায্য কথা কবো। টুঙ্গিপাড়ায় জন্মেছিলো মায়ের স্নেহ মেখে লেখাপড়ার সাথে সাথে রাজনীতিও শেখে। বড় হয়ে খোকা শুধু দেশের কথা বলে রোদে পুড়ে জলে ভিজে নৌকা বেয়ে চলে। মানুষ কেন অনাহারে কষ্ট পেয়ে মরে শাসক কেন বুলেট মারে রক্ত ঝরে ঝরে। বাংলা ভাষা মাতৃভাষা মুছতে তারা চায় বাঙালি হয়ে ভুলবো মাকে সহ্য করা যায়! সেই ছেলেটি বড় হয়ে দেশের নেতা হলো স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন— জাতির পিতা বলো।