শিশু পাচার রোধে সীমান্তে কঠোর নজরদারি জরুরি
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০১৪, ২১:৪৩
কর্মশালায় বক্তারা
দেশের আর্ত-সামাজিক অবস্থা একটি শিশুকে তার ঘর এমনকি দেশ ছাড়া করে। তারা দেশের বাইরে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত হয়। মেয়ে শিশুরা পতিতালয়ে অধিভুক্ত হতে বাধ্য হয়। কোন কোন তাদের ফিরিয়ে আনতে পারলেও সমাজ-সংসার পরিত্যাগ করে তাদের। নয়তো সেই পরিবারই সামাজিক বৈষম্যের শিকার হয়। এই বাস্তবতায় শিশু পাচার রোধে সীমান্তে কঠোর নজরদারীর উপর জোর দেয় বক্তারা। মঙ্গলবার নগরীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক জাতীয় কর্মশালায় এই নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানান বক্তারা।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের ‘মিসিং চাইল্ড এলার্ট’ প্রকল্পের সহায়তার এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ আয়োজনে ‘সাউথ এশিয়া ইনিশিয়েটিভ টু এন্ড ভায়োলেন্স এগেইন্টস চিলড্রেন’ (সেভাক) আওতায় প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন মহিলা ও শিশু বিষয় মন্ত্রণালয়ের সচিব তারিক-উল ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ চাইল্ড প্রোটেকশন বিভাগের অফিস ইনচার্জ সাত্তেসাক আকনিমার্ট, সেভাকাক-এর আঞ্চলিক পরিচালক ডা. রিনচ্যান চপল, প্ল্যানের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সেইন প্লাট। স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ডা কামর উদ্দিন আহমেদ কর্মশালা পরিচালনা করেন।