জোকস
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০১৪, ১৮:৫২
এক পেশাদার মুষ্টিযোদ্ধাকে পাকড়াও করল ছিনতাইকারী। সর্বস্ব লুটে নিয়ে গেল অথচ তিনি টু শব্দটাও করলেন না। বাসায় ফিরলে তার বউ সঙ্গে সঙ্গে জেরা শুরু করে দিলেন, ‘একটা মোটা লোক তোমার কাছ থেকে টাকা কেড়ে নিয়ে গেল, আর তুমি কিছুই বললে না?’
মুষ্টিযোদ্ধা জবাব দিলেন, ‘আমার কাছে মাত্র ১০০০ টাকা ছিল।’
তাতে কী হলো?
৫০০০ টাকার কমে আমিরিং-এ নামি না।
একবার এক অনুষ্ঠানে এক বাংলাদেশি, এক অস্ট্রেলিয়ান আর এক ইন্ডিয়ান গল্প করছে। আলোচনার বিষয়বস্তু ক্রিকেট।
ইন্ডিয়ানটি বললো, ‘একবার আমাদের ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল, স্টাইকার এন্ডে ছিল শচীন। বোলার বল করল, শচীন সেটা থার্ড ম্যানের দিকে ঠেলে দিয়ে ৩ রান নিল, ফিল্ডার সেটা ছুড়ল নন-স্টাইকার এন্ডে। ওভার থ্রো তে শচিন আরও তিন রান নিয়ে নিল। এবার ফিল্ডার সাবধান হয়ে সেটা ছুঁড়ে দিল উইকেট কিপারের দিকে, উইকেট কিপার ধরতে পারল না আর বলটা চলে গেল বাউন্ডারির ওপারে ফলে চার রান। ৩+৩+৪ =১০ আমরা জিতে গেলাম।’
ইন্ডিয়ানটির এই কথায় বিন্দু মাত্র দমে নাগিয়ে অস্ট্রেলিয়ানটি বলল, ‘এ আর এমন কি ব্যাপার? একবার আমাদেরও ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল। আমদের গিলক্রিস্টকে তো তোমরা চেন। তার গায়ে মারাত্মক জোর। সে এমন জোরে ব্যাট চালালো যে বল স্টেডিয়াম পার হয়ে কয়েক শ’ গজ দূরে গিয়ে পড়ল। আম্পায়ারের কোন উপায় ছিল না। সে ১২ রান দিয়ে দিল। আমরা জিতে গেলাম।
বাংলাদেশি :আরেধুর। এগুলো তে আর গায়ের জোরের কী প্রমাণ মেলে। একবার আমাদের ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল। তখন আমাদের সাকিব এতো জোরে ব্যাট চালাল যে ব্যাটের আঘাতে বলই ভেঙে দুই টুকরা হয়ে গেল। তারপর সেখান থেকে এক টুকরা উড়ে বাউন্ডারি পার হল আর অন্য টুকরা গড়াতে গড়াতে বাউন্ডারি দড়িতে গিয়ে লাগলো। ফলে আমরা একই বলকে ছয় আর চার বানিয়ে দশ রান করে ফেললাম!’