বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল, নিয়োগ ও মূল্যায়ন প্রসঙ্গে
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০১৪, ২০:৫১
বেসরকারি নিবন্ধন পরীক্ষায় যারা পাস করে আমার বিশ্বাস তারা শিক্ষক হিসেবে যোগ্য। কেননা ৪ ঘণ্টার ২০০ নম্বরের একটা কঠিন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে তারা কৃতকার্য হয়। যেটা গতানুগতিক অন্য সব সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার চেয়ে কম না। বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত স্থান সংকুলান না হলেও নন-ক্যাডার হিসেবে নিয়োগ পান। আবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উত্তীর্ণ চাকরি প্রার্থীদের পুল শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের ব্যবস্থা থাকলেও শধুমাত্র এই নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীরা বেকার। এদের ব্যাপারে কেউ কোনো খোঁজ রাখেন না বা রাখার প্রয়োজন মনে করেন না। অথচ এই পরীক্ষা পদ্ধতিটা সম্পূর্ণ সরকারি ও সরকার নিয়ন্ত্রিত। সুতরাং যারা বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের এই নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করেছে তাদেরকে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদগুলোতে নিয়োগদানের বিষয়টি ভেবে দেখা যেতে পারে।
আরো একটি বিষয় ১০ম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল এ মাসেই ঘোষণার জন্য অনুরোধ করছি। কেননা এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৩০ এবং ৩১ মে’ ২০১৪। বাংলাদেশে ইউনিভার্সিটি কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ পরীক্ষাগুলোর ফলাফল ও সার্টিফিকেট দিতে যে সময় নেওয়া হয় সে অনুযায়ী এ পরীক্ষা ফলাফল ও সার্টিফিকেট দিতে ৬ মাস সময় নেওয়া অযৌক্তিক বলে মনে করি।
উম্মে জামিলা (ঊর্মি),
৫৪ মডার্ন মোড়, কোতয়ালী, রংপুর