মেধাবী মুখ ......
প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০১৪, ২২:০৪
বিপাশা মল্লিক
বিপাশা মল্লিক এইচএসসি পরীক্ষায় ক্যান্টনমেন্ট বীর উত্তম শহীদ আনোয়ার গার্লস্ কলেজ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে। তার পিতা অরুন মল্লিক একজন ব্যবসায়ী ও মা শিল্পী মল্লিক গৃহিণী। বিপাশা একজন ব্যাংকার হতে চায়।
শুকুর আলী গোলদার
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে শুকুর আলী গোলদার। সে গঙ্গাদাসপুরের বাসিন্দা কৃষক নূরুল আমিন গোলদার ও হাসিনা বেগমের ছেলে।
খাদিজা আক্তার অন্তু
খাদিজা আক্তার অন্তু এইচএসসি পরীক্ষায় ইস্পাহানি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ব্যবসায়িক শিক্ষা বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে। তার বাবা মরহুম সিরাজুল ইসলাম এবং মা রেহেনা ইসলাম। সে ভবিষ্যতে ব্যাংকার হতে চায়।
জেবা ফাউজিয়া
জেবা ফাউজিয়া এইচএসসি পরীক্ষায় দনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে ইত্তেফাক সাবেক কর্মচারী মোঃ এমদাদুল হক ও মোসাম্মদ মাকসুদা হকের একমাত্র মেয়ে।
অপু চন্দ্র সাহা
অপু চন্দ্র সাহা এইচএসসি পরীক্ষায় নরসিংদী মডেল কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ব্যবসায়ী নেপাল চন্দ্র সাহা ও স্বর্গীয় ঝরনা রানী সাহার ছেলে। সে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হতে চায়।
ফাতেমাতুজ কাবেরী জেবা
ফাতেমাতুজ কাবেরী জেবা গৌরনদী উপজেলার বার্থী ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে। তার বাবা কাজী আওলাদ হোসেন একজন ব্যবসায়ী ও মা মৌসুমী কাবেরী মিতু একজন গৃহিণী। জেবা টরকী বন্দরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শিকদার মহিউদ্দিনের নাতনী।
নিলুফার ইয়াছমিন
নিলুফার ইয়াছমিন এইচএসসি পরীক্ষায় আলমগীর ফরিদ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ থেকে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে মহেশখালী উপজেলার ডেইল গ্রামের কৃষক বশির আহাম্মদ ও মরিয়ম খাতুনের মেয়ে। সে ভবিষ্যতে ব্যাংকার হতে চায়।
সাবিহা সিদ্দিক অন্তি
সাবিহা সিদ্দিক অন্তি জামালপুরের মাইলস্টোন কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক ও রেবেকা সুলতানার মেয়ে। অন্তি ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চায়।
শফিকুল ইসলাম
ছাতক টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে শফিকুল ইসলাম এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে নেত্রকোনায় বারহাট্টা উপজেলার রফিকুল ইসলাম ও জাকিয়া সুলতানার পুত্র। শফিকুল ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হতে আগ্রহী।