খোঁজখবর
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০১৪, ১৯:৩৩
ফেসবুকে ভেরিফাইড
চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির ফেসবুক ফ্যান পেজ ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সম্প্রতি পেজটি ভেরিফাইড করে ফেসবুক। আর এই স্বীকৃতিকে ভক্তদের উদ্দেশ্য উত্সর্গ করেছেন এই নায়িকা। এই নিয়ে মাহি দারুণ উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, ‘খুবই ভালো লাগছে। ফেসবুকে আমার নামে অনেকগুলো ভুয়া পেজ ছিল। যার ফলে অনেকসময় অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতো। এখন এই স্বীকৃতির ফলে নিজেকে অনেক নিরাপদ মনে হচ্ছে, এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। আর ভক্তদের ভালোবাসায় আমি আজকের এই মাহি। ফেসবুকের এই স্বীকৃতি আমি তাদেরকে উত্স্বর্গ করলাম। মাহির ফেসবুক পেজে এখন পর্যন্ত লাইক দিয়েছেন ১,০৪,৪০৬-এরও অধিক ফ্যান। মাহির জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত শাহীন সুমনের ‘ভালোবাসার রং’ ছবির মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয়। এটি ছাড়া তার এখন পর্যন্ত মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিগুলো হচ্ছে ‘অন্যরকম ভালোবাসা’, ‘পোড়ামন’, ‘ভালোবাসা আজকাল’, ‘কি দারুণ দেখতে’, ‘অগ্নি’, ‘দবির সাহেবের সংসার’ ও সর্বশেষ ‘হানিমুন’। মাহি বর্তমানে কাজ করছেন জাকির হোসেন রাজুর ‘অনেক দামে কেনা’ ও সাফি উদ্দিন সাফির ‘ওয়ার্নিং’। আগামী মাস থেকে মাহি তার নিজের প্রযোজিত ছবির শুটিং শুরু করবেন। জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ছবিতে মাহির বিপরীতে সম্পূর্ণ নতুন একজন নায়ক থাকবেন। এছাড়া মাহি আগামী বছর থেকে ‘অগ্নি-২’ ও সালাউদ্দিন লাভলুর ‘ওয়ারিশ’ ছবিতে কাজ করবেন। কাজ শেষ করেছেন সাফি উদ্দিন সাফির ‘বিগ ব্রাদার’ ও সৈকত নাসিরের ‘দেশা-দ্য লিডার’। ‘দেশা-দ্য লিডার’ আগামী কোরবানির ঈদে মুক্তি পাচ্ছে। সাধারণত ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নিজেরা যাচাই বাচাই করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির ফেসবুক পেজের স্বীকৃতি দেয়। এর ফলে পেজের নামের ডান পাশে নীল রঙের টিক চিহ্ন দেখা যায় স্বীকৃতি স্বরূপ।
০০০০০
দাদুর টানে হাসন নগরে...
হাসন রাজার গানের জীবন্তু কিংবদন্তি শিল্পী মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বেশ কয়েক বছর যাবত অসুস্থাবস্থায় দিনাতিপাত করছেন। আশি বছর বয়স্ক এই শিল্পী বলা যায় জীবনের শেষ দিনগুলো এখন ঘরে বসেই পার করছেন। কণ্ঠে এখন আর সেই জোরালে শক্তি না থাকলেও থেমে থেমে এখনো হাসন রাজার গান গাওয়ার চেষ্টা করেন। ফারহানা মিলির সঙ্গে শিল্পী আব্দুল লতিফের সম্পর্কটা দাদা-নাতনির। বেশ কয়েকবছর আগে রুবেল শংকরের রচনায় ও শহীদুল আলম সাচ্চুর পরিচালনায় ‘ভেতরের মানুষ’ টেলিফিল্মে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আব্দুল লতিফ ও ফারহানা মিলির মধ্যে দাদা-নাতনির এই সম্পর্ক গড়ে উঠে। টেলিফিল্মটির শুটিংয়ের পর আব্দুল লতিফ যথারীতি চলে যান হাসন নগর সুনামগঞ্জে। এরপর থেকে দাদা ও নাতনির যোগাযোগ থেকে যায় শুধু মুঠোফোনে। কিন্তু অসুস্থ দাদুকে দেখার জন্য বারবার মন কেঁদে উঠত ফারহানা মিলির। অবশেষ নিজের সকল ব্যস্ততাকে ছুটি দিয়ে মিলি গত শনিবার দুপুর ১টায় হাজির হন তার দাদুর কাছে। তাকে কাছে পেয়ে অসুস্থ আব্দুল লতিফ যেন অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তিনি যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না তাকে দেখতে সুদূর সুনামগঞ্জে চলে যাবেন মিলি। প্রায় দু’ ঘণ্টা দাদা-নাতনির মধ্যে নানা গল্পে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ফারহানা মিলি বলেন, ‘মনের টানেই ছুটে গিয়েছিলাম দাদুর কাছে। এমন একজন গুণী শিল্পীর সাথে দেখা করতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে। ’ উল্লেখ্য, শিল্পী আব্দুল লতিফ ২০০৯ সালে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে হাসন উত্সবে ‘হাসন রাজা ফাউন্ডেশন কর্তৃক’ হাসনরত্ন উপাধি লাভ করেন। একই অনুষ্ঠানে তিনি হাসন রাজা স্বর্ণপদকেও সম্মানিত হন।