প্লেব্যাকে গাই, কিন্তু পরে গানটি মিক্সড অ্যালবামে ব্যবহূত হয়!

২০০৮ সালের চ্যানেল আইয়ের সেরা কণ্ঠ প্রতিযোগিতার পর এই রিয়েলিটি শোর সবচেয়ে ব্যস্ত তারকা এখন তিনি। বিনোদন প্রতিদিনের নিয়মিত আড্ডায় ছবি তুললেন ও কথা বললেন তিনি। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন দিব্যজ্যোতি দত্ত ও ছবি তুলেছেন সোহেল মামুন আপনি তো এখন প্লেব্যাকও করছেন? হ্যাঁ, সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ছবিতে প্লেব্যাক করেছি। হ্যাঁ, বেশ ক’টি করেছি। কিছু মুক্তি পেয়েছে। এছাড়া কোরবানির ঈদে মুক্তি পাবে ‘কিস্তিমাত’। ওই ছবিতেও আমি প্লেব্যাক করেছি। এছাড়া আর কী নিয়ে ব্যস্ত? মাস কয়েক আগেই তো আমার তৃতীয় একক ‘পূজা রিটার্নস’ বাজারে এসেছে। খুব তাড়াতাড়ি আর অ্যালবাম প্রকাশের তাড়া নেই। এখন কিশোর ভাইয়ের একটা মিক্সড অ্যালবামে কাজ করছি। পূজার প্রত্যেক অ্যালবামের পিছনে এক বছরের একটা বিরতি দেখা যায়। কোন বিশেষ কারণ? আসলে আমি আমার কাজের ব্যাপারে বেশ যত্নশীল। ভালোভাবে প্রস্তুতি না নেওয়া পর্যন্ত আমি কাজ শুরু করি না। গান বাছাই করতেই আমার এক বছর চলে যায়। প্লেব্যাক শিল্পীরা নানা ধরনের সমস্যার কথা বলে থাকেন। আপনার কখনও এরকম মনে হয়েছে কি? হ্যাঁ, সমস্যা তো থাকেই। আমিও এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। একবার প্লেব্যাকের জন্য আমি কণ্ঠ দিই। কিন্তু পরে দেখা যায় গানটি একটা মিক্সড অ্যালবামে ব্যবহার করা হয়েছে। আমার অনুমতি না নিয়ে এটা করা হয়েছে। ব্যাপারটা আমার সত্যিই খুব খারাপ লেগেছে। কোনো ছবিতে প্লেব্যাক করলে সেই ছবি কি দেখেন? অবশ্যই! কোনো ছবিতে আমি প্লেব্যাক করলে সেই ছবি আমি প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখি। আমার গান কোনো ছবিতে আছে আর আমি দেখব না, এটা হতেই পারে না!